,
output_6836qW

সিলেট জেলার পর্যটন অঞ্চল

হযরত শাহজালাল (রঃ) মাজার

সিলেট সুরমা ডেস্ক::::: হযরত শাহজালাল(র:) ছিলেন উপমহাদেশের একজন বিখ্যাত দরবেশ ও পীর। তিনি ছিলেন ওলিকুল শিরোমণি। সিলেট অঞ্চলে তার মাধ্যমেই ইসলামের প্রসার ঘটে। সিলেটের প্রথম মুসলমান শেখ বুরহান উদ্দিনের ওপর রাজা গৌর গোবিন্দের অত্যাচার এবং এর প্রেক্ষিতে হযরত শাহজালাল(র:) ও তাঁর সফরসঙ্গী ৩৬০ আউলিয়ার সিলেট আগমন ইতিহাসের একটি উল্লেখযোগ্য ঘটনা। এ কারণে সিলেটকে  ৩৬০ আউলিয়ার দেশ বলা হয়। কেউ কেউ সিলেটকে পূণ্যভূমি অভিধায়ও অভিহিত করেন।

আরবের মাটি ও সিলেটের মাটির মিল

কথিত আছে, প্রাচ্য দেশে আসার পূর্বে শাহজালাল(র:) এর মামা মুর্শিদ সৈয়দ আহমদ কবীর (রঃ) তাকে এক মুঠো মাটি দিয়ে বলেন, ‘স্বাদে বর্ণে গন্ধে এই মাটির মতো মাটি যেখানে পাবে সেখানে বসতি স্থাপন করে ইসলাম প্রচার করবে।’

হযরত শাহজালাল(র:) বিশিষ্ট শিষ্য শেখ আলীকে এই মাটির দায়িত্বে নিয়োগ করেন এবং নির্দেশ দেন যে, যাত্রা পথে বিভিন্ন জনপদের মাটির সাথে যেন এই জনপদের মাটির তুলনা করে তিনি দেখেন। পরে এই শিষ্যের উপাধি হয় চাষণী পীর। সিলেট শহরের গোয়াইপাড়ায় তার মাজার বিদ্যমান।

সিলেটের মাটির সাথে আরবের মাটির মিল পাওয়ায় হযরত শাহজালাল(র:) সিলেটে বসতি স্থাপন করে ইসলাম প্রচারে মনোনিবেশ করেন। সিলেটে তেল ও গ্যাস পাওয়ায় আরবের মাটি ও সিলেটের  মাটির মিল প্রমাণিত হয়েছে।

কিভাবে যাওয়া যায়:

সিলেট রেল স্টেশন অথবা কদমতলী বাস স্ট্যান্ড এ নেমে রিকশা বা সিএনজি অটোরিকশাযোগে মাজারে যাওয়া যায়। রিকশা ভাড়া ২০-২৫ টাকা, সিএনজি ভাড়া ৮০-১০০ টাকা।সুরমা নদী পার হয়ে মূল শহরে এসে মাজার এ পৌছাতে হয়। মাজার গেট রোড এ অনেকগুলো আবাসিক হোটেল রয়েছে।

 

মালনীছড়া চা বাগান
চা একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় পানীয়। সকালে এক কাপ গরম চা না পেলে বাঙালী সমাজের যেন একদম চলে না। বাংলাদেশের যে কয়টি অঞ্চলে চা বাগান পরিলক্ষিত হয় তার মধ্যে সিলেট অন্যতম। সিলেটের চায়ের রঙ, স্বাদ এবং সুবাস অতুলনীয়। উপমহাদেশের প্রথম চা বাগান সিলেট শহরে অবস্থিত। নাম মালনীছড়া। ১৮৪৯ সালে এই চা বাগান প্রতিষ্ঠিত। বর্তমানে বেসরকারী তত্তবধানে চা বাগান পরিচালিত হয়ে আসছে। ১৫০০ একর জায়গার উপর এই চা বাগান অবস্থিত।চা বাগানের পাশাপাশি বর্তমানে এখানে কমলা ও রাবারের চাষ করা হয়।

মালনীছড়া চা বাগান ছাড়াও সিলেটে  লাক্ষাতুড়া চা বাগান, আলী বাহার চা বাগান, খাদিম, আহমদ টি স্টেট, লালাখাল টি স্টেট উল্লেখযোগ্য।

অবস্থান: মালনীছড়া এবং লাক্ষাতুড়া চা বাগান দুইটিই সিলেট শহরের উপকন্ঠে অবস্থিত। শহরের কেন্দ্রস্থল জিন্দাবাজার পয়েন্ট হতে গাড়ীতে মাত্র ১৫ মিনিটের পথ।

কি কি দেখবেন: পাহাড়ের গায়ে চা বাগানের দৃশ্য, ছায়া বৃক্ষ, চা শ্রমিকদের আবাসস্থল, কমলার বাগান, রাবার বাগান, চা তৈরীর প্রক্রিয়া।

কোথায় অবস্থান করবেন: সাধারনত চা বাগানে থাকার তেমন কোন সুব্যবস্থা নাই। আপনাকে সিলেট শহরেই থাকতে হবে। থাকার তথ্যর জন্য আমাদের হোটেল আবাসন লিংকে ক্লিক করুন।

 
শ্রী চৈতন্য দেব

ষোড়শ শতকে সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকাদক্ষিনে পন্ডিত জগন্নাথ মিশ্রের কৃতি সন্তান শ্রী চৈতন্য (বিশ্বম্ভর মিশ্র) বাঙালির আধ্যাত্বিক জীবনে এক বৈপ্লবিক যুগের সূচনা করেন । ব্রাম্মণ্যবাদ ও উগ্র বর্ণবাদের বিরুদ্ধে শ্রী চৈতন্য পরিচালিত গণ বিপ্লবে বাংলার আপামর জনসাধারণ বিপুলভাবে সাড়া দিয়েছিলেন। শ্রী চৈতন্যের সমকালে এবং এর বহুকাল পূর্ব থেকে নবদ্বীপে ঢাকাদক্ষিনের বহু বেদজ্ঞ অধ্যায়ন কিংবা অধ্যাপনার নিমিত্তে বসবাস করতেন । ঢাকাদক্ষিন রত্নগর্ভ আচার্য্য সে সময় নবদ্বীপে বসবাসকারী এক পন্ডিত ছিলেন। তাঁর পুত্র যদুনাথ কবিচনদ্র প্রসিদ্ধ বৈষ্ণব পদকর্তা ছিলেন ।তাঁর রচিত ‘‘ পদকল্পতরু ’’ এক বিখ্যাত বৈষ্ণব কাব্য। পরবর্তীতে ঢাকাদক্ষিনের প্রদ্যুন্ম মিশ্র ( শ্রী চৈতন্যের জেঠতুতো ভাই ) রচিত ‘‘ শ্রীকৃষ্ণ চৈতন্যেদয়াবলী ’’ এবং জগজ্জীবন মিশ্র রচিত ‘‘ মনোঃসন্তোষিনী ’’ বৈষ্ণব সাহিত্য দুটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।

অবস্থান: সিলেট জেলার গোলাপগঞ্জ উপজেলার ঢাকা দক্ষিণ নামক স্থানে।
দুরত্ব: সিলেট শহর হতে ৩০ কি.মি।
যাতায়াত: সিলেট শহর হতে জকি গঞ্জ বা বিয়ানীবাজার উপজেলা গামী যেকোন বাস সার্ভিসে আপনি ঢাকা দক্ষিণ পর্যন্ত যেতে পারবেন। তারপর মহা প্রভু  শ্রী চৈতন্য দেবের বাড়ী যেতে আপনাকে ভ্যান বা রিক্সা নিতে হবে।
কোথায় থাকবেন: আপনাকে থাকতে হবে গোলাপগঞ্জ অথবা সিলেট শহরে।

 

 

জাফলং

রকৃতি কন্যা হিসাবে সারাদেশে এক নামে পরিচিত সিলেটের জাফলং।খাসিয়া জৈন্তা পাহাড়ের পাদদেশে অবস্থিত জাফলং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অপরুপলীলাভূমি। পিয়াইন নদীর তীরে স্তরে স্তরে বিছানো পাথরের স্তূপ জাফলংকে করেছেআকর্ষণীয়। সীমান্তের ওপারে ইনডিয়ান পাহাড় টিলা, ডাউকি পাহাড় থেকে অবিরামধারায় প্রবাহমান জলপ্রপাত, ঝুলন্ত ডাউকি ব্রীজ, পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ হিমেলপানি,উঁচু পাহাড়ে গহিন অরণ্য ও শুনশান নিরবতার কারণে এলাকাটি পর্যটকদেরদারুণভাবে মোহাবিষ্ট করে। এসব দৃশ্যপট দেখতে প্রতিদিনই দেশী-বিদেশীপর্যটকরা ছুটে আসেন এখানে। প্রকৃতি কন্যা ছাড়াও জাফলং বিউটি স্পট, পিকনিকস্পট, সৌন্দর্যের রাণী- এসব নামেও পর্যটকদের কাছে ব্যাপক পরিচিত। ভ্রমনপিয়াসীদের কাছে জাফলং এর আকর্ষণই যেন আলাদা। সিলেট ভ্রমনে এসে জাফলং নাগেলে ভ্রমনই যেন অপূর্ণ থেকে যায়।

সিলেটনগরী থেকে ৬২ কিলোমিটার উত্তর পূর্ব দিকে গোয়াইনঘাট উপজেলায় জাফলং এরঅবস্থান। জাফলংয়ে শীত ও বর্ষা মওসুমের সৌন্দর্যের রুপ ভিন্ন। বর্ষায় জাফলংএর রুপ লাবণ্য যেন ভিন্ন মাত্রায় ফুটে উঠে। ধূলি ধূসরিত পরিবেশ হয়ে উঠেস্বচ্ছ। স্নিগ্ধ পরিবেশে শ্বাস-নি:শ্বাসে থাকে ফুরফুরে ভাব। খাসিয়া পাহাড়েরসবুজাভ চূড়ায় তুলার মত মেঘরাজির বিচরণ এবং যখন-তখন অঝোরধারায় বৃষ্টিপাহাড়ি পথ হয়ে উঠে বিপদ সংকুল-সে যেন এক ভিন্ন শিহরণ। সেই সঙ্গে কয়েক হাজারফুট উপর থেকে নেমে আসা সফেদ ঝর্ণাধারার দৃশ্য যে কারোরই নয়ন জুড়ায়।

ইতিহাসঘেঁটে জানা যায়, হাজার বছর ধরে জাফলং ছিল খাসিয়া জৈন্তা-রাজার অধীন নির্জনবনভূমি। ১৯৫৪ সালে জমিদারী প্রথা বিলুপ্তির পর খাসিয়া জৈন্তা রাজ্যেরঅবসান ঘটে। তারপরও বেশ কয়েক বছর জাফলংয়ের বিস্তীর্ণ অঞ্চল পতিত পড়ে রয়েছিল।ব্যবসায়ীরা পাথরের সন্ধানে নৌ পথে জাফলং আসতে শুরু করেন। পাথর ব্যবসারপ্রসার ঘটতে থাকায় গড়ে উঠে নতুন জনবসতিও। আশির দশকে সিলেটের সাথে জাফলং এর৫৫ কিলোমিটার সড়ক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠিত হয়। এরপর থেকে জাফলংয়ের নয়নাভিরামসৌন্দর্যের কথা সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে। দেশী-বিদেশী পর্যটকদের পাশাপাশিপ্রকৃতিপ্রেমীরাও ভিড় করতে থাকেন জাফলংয়ে। জাফলং এখন দেশের সেরা পর্যটনস্পট।

কিভাবে যাওয়া যায়:

অবস্থান: সিলেট জেলার গোয়াইনঘাট উপজেলায় অবস্থিত। সিলেট জেলা সদর হতে সড়ক পথে দুরুত্ব মাত্র ৫৬ কি.মি। সিলেট থেকে যাতায়াতঃ সিলেট থেকে আপনি বাস/ মাইক্রোবাস/ সিএনজি চালিত অটোরিক্স্রায় যেতে পারেন জাফলং এ। সময় লাগবে ১ ঘন্টা হতে ১.৩০ ঘন্টা। ভাড়াঃ বাস -জনপ্রতি ৫৫ টাকা মাইক্রোবাস- ১৭০০-২০০০/-টাকা সি এন জি চালিত অটো রিক্সাঃ ৭০০/ টাকা।

কোথায় থাকবেন

থাকারতেমন বেশি সুব্যবস্থা জাফলং এ নাই। তবে যে কয়টি ব্যবস্থা আছে তার মধ্যেজেলা পরিষদের নলজুরী রেস্ট হাউস(থাকতে হলে পূর্বে অনুমতি নিতে হবে), শ্রীপুর পিকনিক স্পট উল্লেখযোগ্য। কিছু বোডিং এর ব্যবস্থা আছে। এছাড়াশ্রীপুর ফরেস্টে এর একটি বাংলো আছে পর্যটকদের থাকার জন্য।

 

 

লালাখাল

স্বচ্চ নীল জল রাশি আর দুধারের অপরুপ সোন্দর্য, দীর্ঘ নৌ পথ ভ্রমনের সাধ যেকোন পর্যটকের কাছে এক দূর্লভ আর্কষণ। তেমনি এক নির্জন মনকাড়া স্থান লালাখাল। বাংলাদেশের সবোর্চ্চ বৃষ্ঠিপাতের স্থান এবং রাতের সৌন্দর্যে ভরপুর এই লালাখাল সিলেট জেলার জৈন্তাপুর উপজেলার সন্নিকটে অবস্থিত। সারি নদীর স্বচ্চ জলরাশির উপর দিয়ে নৌকা অথবা স্পীডবোটে করে আপনি যেতে পারেন লালা খালে। যাবার পথে আপনির দুচোখ সৌন্দর্য দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে যাবেন কিন্ত সৌন্দর্য শেষ হবে না। ৪৫ মিনিট যাত্রা শেষে আপনি পৌছে যাবেন লালখাল চা বাগানের ফ্যাক্টরী ঘাটে। মুগ্ধ দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকবেন নদীর পানির দিকে। কি সুন্দর নীল, একদম নীচে দেখা যায়। ভারতের চেরাপুঞ্জির ঠিক নিচেই লালাখালের অবস্থান। চেরাপুঞ্জি পাহাড় থেকে উৎপন্ন এই নদী বাংলাদেশের মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত।

কিভাবে যাওয়া যায়:

সিলেট শহর হতে লালাখাল যাবার জন্য আপনাকে পাড়ি দিতে হবে ৩৫ কি.মি রাস্তা। আপনি অনেক ভাবে লালাখাল যেতে পারেন। বাস, মাইক্রো, টেম্পু যোগে আপনি যেতে পারেন।

থাকবেন কোথায়ঃ

লালাখালে থাকার তেমন কোন সুবিধা নাই। সাধারনত পর্যটকরা সিলেট শহর হতে এসে আবার সিলেট শহরে হোটেলে রাত কাটায়। সাম্প্রতিক নাজিমগড় রিসোর্ট নামে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠান আধুনিক সুযোগ সুবিধা সম্বলিত পিকনিক স্পট গড়ে তোলার কাজ শুরু করেছে।

 

 

জাকারিয়া সিটি

দেশে শীত অর্থাৎ বেড়ানোর মৌসুম শুরু হয়েগেছে। এখন ভ্রমণকারীর সংখ্যাও বেড়েছে প্রচুর। দেশেতো বটে বিদেশে ও প্রতিবছর বেড়াতে যাওয়ার মতো বাংলাদেশীদের আর্থিক সংগতি হয়েছে অনেক আগে। দেশে যারা ভ্রমণ করেন তাদের অনেকেই এবারে সিলেট ভ্রমণে আসবেন। সিলেট ভ্রমণে দু’টি মাজারসহ মূলত টার্গেট থাকে জাফলং আর মাধবকুন্ড দর্শনের। সিলেটে এসে যেখানে থাকবেন সেটাও যদি হয় দেখার মতো, সময় কাটানোর মতো কিছু? কেমন হয়? তেমন’ই চমৎকার প্রকৃতির কাছাকাছি থাকার সুযোগ করে দিয়েছি জাকারিয়া সিটি।
সিলেট শহর থেকে প্রায় ১১ কিমি দূরে জাফলং রোডে খাদিমনগরে ৩টি টিলার সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে এই সিটি। প্রায় ১৭ একরের এই হলিডে রিসোর্টে রয়েছে থ্রিস্টার মোটেল, শিশুপার্ক, অডিটোরিয়াম, মিনি চিড়িয়াখানা ইত্যাদি ইত্যাদি। প্যাকেজট্যুরে জাফলং, মাধবকুন্ড, শ্রীমঙ্গল, ছাতক, হাওর ও মাজারে ভ্রমণের ব্যবস্হা আছে। দিন প্রতিরুম ভাড়া বাবদ খরচ হবে ২৮৫০/- থেকে ১২৬০০/- টাকা। এই কারণে শিরোনাম কিছুটা আয়েসী ভ্রমণ।

ঠিক আছে। আপনার কাছে কি এই আয়োজন বেশী আয়েসী হয়ে যাচ্ছে থাকতে না পারলে কি দেখতে পারবেন না। সমস্যানেই। মাত্র৫০/- টাকা জনপ্রতি টিকেট কেটে আপনি পুরো এলাকা ঘুরে দেখতে পারেন। আর শিশুরা সাথে থাকলে তাদের আনন্দটা হবে সীমাহীন।

তথ্যসূত্র : জেলা তথ্যবাতায়ন



সংবাদটি 277 বার পঠিত
এ সংবাদটি ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  •   
  •   
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

Leave a Reply

শিরোনাম

আর্কাইভ

এপ্রিল ২০১৭
শনি রবি সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র
« মার্চ    
১০১১১২১৩১৪
১৫১৬১৭১৮১৯২০২১
২২২৩২৪২৫২৬২৭২৮
২৯৩০  
............................................................................................................. logo copy
12-4-300x214
সম্পাদক ও প্রকাশক মো. নাজমুল ইসলাম
নির্বাহী সম্পাদক : আমিনুল ইসলাম রোকন
সিলেট সুরমা মিডিয়া কর্পোরেশনের পক্ষে শহিদ আহমদ চৌধুরী সাজু কর্তৃক মুদ্রিত ও
সিটি সেন্টার (১০ম তলা),জিন্দাবাজার,
সিলেট থেকে প্রকাশিত।
ফোন : ০৮২১-৭১১০৬৯,
মোবাইল : (নির্বাহী সম্পাদক-০১৭১৫-৭৫৬৭১০ )
০১৬১১-৪০৫০০১-২(বার্তা),
০১৬১১-৪০৫০০৩(বিজ্ঞাপন), ইমেইল : www.sylhetsurma2011@gmail.com
ওয়েব : www.sylhetsurma.com
শিরোনাম :
নব-নির্বাচিত আবুল কালামকে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রদলের সংবর্ধনা প্রদান ‘জান্নাতুল ফাহিম’ স্মৃতি সংসদ সিলেট’র কমিটি গঠন মাধবপুরে ব্রীজ ভেঙ্গে জনদুর্ভোগ চরমে ভোলাগঞ্জে টাস্কফোর্সের অভিযানে ৩৪টি বোমা মেশিন ধ্বংস মালনিছড়া চা বাগানে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে (সাময়িক বরখাস্ত) পুলিশ আটক খুব শিগগির বাংলাদেশে পেপলের কার্যক্রম শুরু হচ্ছে জঙ্গিবাদ দমন ও মাদক নির্মূলে সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেয়া হবে : আইজিপি ছাত্রদল নেতা সাজাইকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে তাৎক্ষনিক মিছিল ও প্রতিবাদ সভা অনুষ্টিত সিরিয়ার সামরিক শিবিরে ইসরাইলের হামলায় হতাহত ৫ সকল শিশুর শিক্ষা সহায়তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রীর আহবান গ্রামবাসীর পিটুনিতে ডাকাত নিহত, ডাকাতের হামলায় আহত ৪ হাওরে মরেছে ৫০ টন মাছ, কোটি টাকার ক্ষতি বড়লেখায় বৈদ্যুতিক তার চোর চক্রের ২ সদস্য আটক এমসি কলেজ ছাত্রাবাস থেকে শিবির সন্দেহে তিনজনকে পুলিশে দিলো ছাত্রলীগ জগন্নাথপুরের যুবককে ঢাকায় নিয়ে চাকুরির প্রলোভনে মুক্তিপণ দাবি মালয়েশিয়ায় ভূমিধ্বসে দুই বাংলাদেশি শ্রমিকের মৃত্যু চুনারুঘাটে ৩ নারী পাচারকারী আটক, ১ নারী উদ্ধার চুয়াডাঙ্গায় বিএনপি নেতাকে কুপিয়ে হত্যা এরশাদের বোনের মেয়েকে বিয়ে করলেন বাবলু দেশের মানুষ জঙ্গীদের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়িয়েছে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী খুলনায় মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলায় গ্রেপ্তার ৯ বেহালদশা ! চলে গেলেন কিংবদন্তি শিল্পী লাকী আখন্দ গোলাপগঞ্জে কীটনাশক পানে গৃহবধূর আত্মহত্যা একাধিক ডাকাতি ও অস্ত্র মামলার পলাতক আসামি গ্রেপ্তার সিলেটে চোরাই মালামালসহ আটক ২ ধ্বংস করা হবে মার্কিন নগর তার ভিডিও দেখালো উত্তর কোরিয়া গোবিন্দগঞ্জ ব্রিজ এলাকায় বাস চাপায় খোজারখলা মসজিদের ইমাম নিহত ছাতকে গলায় ফাঁস দেয়া এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার পৃথক সংঘর্ষে চেয়ারম্যানসহ আহত ৫৫ শাহীন গ্রেফতার সিলেটে বজ্রপাতে শিশুসহ ২ জনের মৃত্যু, আহত ২ নগরীর শাহী ঈদগাহে দুই পক্ষের সংঘর্ষ : আহত ৩ ধৈর্য্য ধরো মা,আমি আপনার ফাহিম : এস এম জাকির হোসেন সুরমা মার্কেট থেকে ২ জালিয়াত আটক, জাল পাসপোর্ট ও ড্রাইভিং লাইসেন্স উদ্ধার মাধবপুরে আসল পুলিশের হাতে ‘ভুয়া পুলিশ’ আটক শফিক চৌধুরীর গাড়িতে হামলা : আবু সরকারসহ ৮ জন ৩ দিনের রিমান্ডে গোটাটিকর থেকে ৩ নারী পাচারকারী আটক, ২ নারী উদ্ধার প্রবাসে গমন উপলক্ষে তরুন সংগঠক শিপলুকে সংবর্ধনা প্রদান জঙ্গি দেলোয়ার হোসেন রিপনের ফাঁসি কার্যকর বাংলা নববর্ষ ১৪২৪ উদযাপন উপলক্ষে সরকারি কর্মসূচি শাবিপ্রবিতে ছাত্রী নিপীড়ন : ছাত্রলীগ সভাপতিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা জাতিসংঘের সর্বকনিষ্ঠ শান্তিরদূত মালালা ইউসুফজাই সিলেটে ড্রেন খনন করতে গিয়ে পাওয়া গেল ১১টি মর্টার শেল প্রস্তুতি সম্পন্ন : প্রস্তুত ১০ জল্লাদ ডিশ সংযোগ ও ইন্টারনেট সংযোগ কাটার বিষয়টি আমি জানতাম না : মেয়র আরিফ সমঝোতায় আসতে চান শাকিব খান জেলা প্রেসক্লাব সভাপতি আজিজ আহমদ সেলিমের জ্ঞান ফিরেছে শিশু রাজন হত্যা : ৪ জনের ফাঁসির আদেশ বহাল রেখেছেন হাইকোর্ট গ্রেনেড হামলার দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জঙ্গি রিপনের সঙ্গে বাবা-মায়ের সাক্ষাৎ