• ১৩ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৯শে পৌষ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ , ২৪শে রজব, ১৪৪৭ হিজরি

সিলেটে এসেও সেই বিচারকের স্ত্রী-মেয়েকে উত্যক্ত করেন লিমন, জিডি করেও লাভ হয়নি

sylhetsurma.com
প্রকাশিত নভেম্বর ১৫, ২০২৫
সিলেটে এসেও সেই বিচারকের স্ত্রী-মেয়েকে উত্যক্ত করেন লিমন, জিডি করেও লাভ হয়নি

Manual4 Ad Code

রাজশাহী মহানগর ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান সুমনকে (১৫) কুপিয়ে হত্যা ও স্ত্রীকে আহত করার ঘটনায় গ্রেফতার লিমন মিয়া (৩৫) চার বছর চাকরির পর সেনাবাহিনী থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের জালালাবাদ থানার ওসি শাহ মুবাশ্বির।

তিনি জানান, ৬ নভেম্বর বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসী (৪৪) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে পুলিশের সহযোগিতা চান। পরে সিলেট মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাকে জালালাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু, জজ স্যারের স্ত্রী মামলা করতে রাজি না হওয়ায় তখন এ ঘটনায় জিডি করা হয়। জিডিমূলে ওই ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

Manual4 Ad Code

ওসি জানান, জজ স্যারের মেয়ে শাহজালাল ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত। মূলত মেয়েকে দেখতে বিচারকের স্ত্রী সিলেট এসেছিলেন। তখন লিমন তার পিছু নিয়ে সিলেট ছুটে আসে এবং তাদেরকে ডিস্টার্ব করে। এক পর্যায়ে তারা পুলিশের সহযোগিতা নিতে বাধ্য হন। তবে কী কারণে জজ স্যারের স্ত্রীর সাথে তার ঝামেলা ছিল তা তার জানা নেই।

Manual5 Ad Code

প্রসঙ্গত, পরিবারের লোকজনকে ১০ দিন আগে হত্যার হুমকি দিয়েছিল লিমন মিয়া নামের ওই ব্যক্তি। এ ঘটনায় গত ৬ নভেম্বর সিলেটের জালালাবাদ থানায় লিমন মিয়ার বিরুদ্ধে জিডি করেছিলেন বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসী। জিডি করার সাত দিনের মাথায় বিচারকের ভাড়া বাসায় ঢুকে ছেলেকে হত্যা ও লুসিকে জখম করে।

Manual1 Ad Code

রাজশাহী মহানগর ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আব্দুর রহমানের ছেলে তাওসিফ রহমান সুমনকে (১৫) কুপিয়ে হত্যা ও স্ত্রীকে আহত করার ঘটনায় গ্রেফতার লিমন মিয়া (৩৫) চার বছর চাকরির পর সেনাবাহিনী থেকে বহিষ্কৃত হয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের জালালাবাদ থানার ওসি শাহ মুবাশ্বির।

Manual2 Ad Code

তিনি জানান, ৬ নভেম্বর বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসী (৪৪) জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ কল দিয়ে পুলিশের সহযোগিতা চান। পরে সিলেট মেট্রোপলিটন কোতোয়ালি থানা পুলিশ তাকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে। পরে তাকে জালালাবাদ থানায় হস্তান্তর করা হয়। কিন্তু, জজ স্যারের স্ত্রী মামলা করতে রাজি না হওয়ায় তখন এ ঘটনায় জিডি করা হয়। জিডিমূলে ওই ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

ওসি জানান, জজ স্যারের মেয়ে শাহজালাল ইউনিভার্সিটিতে অধ্যয়নরত। মূলত মেয়েকে দেখতে বিচারকের স্ত্রী সিলেট এসেছিলেন। তখন লিমন তার পিছু নিয়ে সিলেট ছুটে আসে এবং তাদেরকে ডিস্টার্ব করে। এক পর্যায়ে তারা পুলিশের সহযোগিতা নিতে বাধ্য হন। তবে কী কারণে জজ স্যারের স্ত্রীর সাথে তার ঝামেলা ছিল তা তার জানা নেই।

প্রসঙ্গত, পরিবারের লোকজনকে ১০ দিন আগে হত্যার হুমকি দিয়েছিল লিমন মিয়া নামের ওই ব্যক্তি। এ ঘটনায় গত ৬ নভেম্বর সিলেটের জালালাবাদ থানায় লিমন মিয়ার বিরুদ্ধে জিডি করেছিলেন বিচারকের স্ত্রী তাসমিন নাহার লুসী। জিডি করার সাত দিনের মাথায় বিচারকের ভাড়া বাসায় ঢুকে ছেলেকে হত্যা ও লুসিকে জখম করে।