স্টাফ রিপোর্টারঃ
সিলেট নগরীর বন্দরবাজার এলাকায় সায়ামা কার্পেট হাউজ নামক ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। গতকাল বৃহস্পতিবার (২৫ জুলাই) দুপুর ১২ ঘটিকার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী পরিবার সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দিতে গেলে পুলিশ তা আমলে নেয়নি। খবর নিয়ে জানাযায়, যুক্তরাজ্য থেকে ছাত্রনেতা ইসমাইল তার ফেইসবুক একাউন্ট থেকে বর্তমান ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ এবং ছাত্রলীগের বিপক্ষে এবং আন্দোলনে (ছাত্রজনতা) আহত-নিহতদের নিয়ে কয়েকটি স্ট্যাটাস দেন। সে কারণে রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় সিলেট জেলা ছাত্রলীগ নেতা মোঃ নাজমুল ইসলাম ও রাহেল সিরাজের নেতৃত্বে কোর্ট পয়েন্টে তারা সমাবেশ করে যাওয়ার সময় ইসামাইলের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান সায়ামা কার্পেটে ভাংচুর করে। তারা দোকান মালিক সাবেক ছাত্রনেতা যুক্তরাজ্য প্রবাসী ইসমাইল কে খোঁজতে থাকে। তাকে না পেয়ে দোকানে কর্মরত স্টাফদের ভয়ভীতি ও মারধর করে। ছাত্রনেতা ইসমাইলকে তারা হত্যার হুমকি দিয়ে যায় ও চাঁদা দাবি করে। এতে আশেপাশের ব্যবসায়ী গোলাম আজাদ, রুমেদ, মালেক বাছিত, কাশেম সহ আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর সহযোগিতায় তৎক্ষনাৎ পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ছাত্রলীগের তৎক্ষনাৎ হামলায় ইসমাইলের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১০ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।

ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী পরিবারের অভিযোগ, সিলেট পোস্ট অফিসের বিপরিতে মিউনিসিপ্যাল মার্কেটের ‘ সায়ামা কার্পেট হাউজ’ নামীয় একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করেন। দোকানের মালিক যুক্তরাজ্য প্রবাসী ইসমাইল শিবির করার অপরাধে তার ব্যবসা প্রতিষ্টানে এসে প্রথমে সিলেট জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মোঃ নাজমুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক রাহেল সিরাজের ৫ জন কর্মী তার প্রতিষ্ঠানে প্রবেশ করে চাঁদা দাবি করে এবং কর্মচারীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে। এতে দোকানের ম্যানাজার রাশেদ চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে ছাত্রলীগের প্রায় ৭/৮ জন সন্ত্রাসী দোকানে হামলা চালিয়ে ক্যাশে থাকা আড়াই লাখ টাকা চাঁদা নিয়ে নেয় এবং বাড়াবাড়ি করলে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ার ও ইসমাইলকে হত্যা করার হুমকি দেয়। পরে আহত দোকান ম্যানেজার রাশেদকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেন।
এ বিষয়ে কোতোয়ালী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ নুনু মিয়াকে বার বার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।