
সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ৯নং পশ্চিম আমুড়া ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি আব্দুল জলিল এর বাড়ীর একটি কক্ষ ভাঙচুরের পরবর্তী দৃশ্য।
গোলাপগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
গোলাপগঞ্জে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কতিপয় ছাত্ররা এবং বিএনপি ও জামাত-শিবিরের সন্ত্রাসী হামলায় গুরুতর আহত আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিল (৫৫) মারা গেছেন। গতকাল শুক্রবার (৯ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সিলেটের একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছেন বলে জানাযায়। মৃত আব্দুল জলিল (৫৫) উপজেলার বুধবারী বাজার এলাকার শিকপুর গ্রামের তছলিম আলী ছেলে। তিনি ৯ নং পশ্চিম আমুড়া ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন। পারিবারিক সূত্রে জানাযায়, মঙ্গলবার (৬ আগস্ট) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে বাড়ীতে গিয়ে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের নেতৃত্বে হঠাৎ বিএনপি ও জামাত-শিবিরের লোকজন আব্দুল জলিল এর ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাকে ঘর থেকে বের করে প্রকাশ্যে দেশীয় অস্ত্র (ধারালো দা) লাঠিসোঁটা দিয়ে বেধড়ক মারধর করে কুপিয়ে জখম করে ও মৃত্যু নিশ্চিত করে। একপর্যায়ে ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাংচুর করে। পরে প্রতিবেশী ও স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে প্রথমে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে ইবনে সিনা হাসপাতাল সিলেট লিমিটেডে মঙ্গলবার দিবাগত রাত আইসিইউতে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে থেকে শুক্রবার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এ বিষয়ে জানতে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোহাম্মদ আব্দুন নাসের এর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনে বার বার ফোন দিলেও তিনি রিসিভ করেন নি। এ ঘটনার পর এলকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে।