নিজস্ব প্রতিনিধিঃ-
এয়ারপোর্ট থানাধীন ফতেগড় গ্রামের যুবলীগ নেতা মোঃ রিয়াজুল ইসলামের বাড়ীতে দুস্কৃতিকারীরা হামলা ও ভাংচুর চালায়। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, গতকাল রাত ০৮ ঘটিকায় মোঃ রিয়াজুল ইসলামের বাড়িতে স্থানীয় বিএনপি, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন-এর প্রভাবশালী নেতা আহাদ আলী, সোলেমান, তারেক, লিটন, কামরান সহ আরোও ৫/৬ জন কতিপয় দুস্কৃতিকারীরা এয়ারপোর্ট থানাধীন ফতেগড় গ্রামের বাড়িতে যুবলীগ নেতা মোঃ রিয়াজুল ইসলামের বাড়িতে প্রবেশ করিয়া তাহাকে দেশদ্রোহী অভিহিত করিয়া গালিগালাজ করে এবং খুজতে থাকে। তখন মোঃ রিয়াজুল ইসলামকে না পেয়ে তার পিতা মাতা ও পরিবারের সদস্যদেরকে সন্ত্রাসীরা শারীরীকভাবে আক্রমন করে। তাদের শোর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন আসিলে তাকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করে চিকিৎসা প্রদান করা হয়। ঘটনার সময় মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বাড়িতে ছিলেন না। জানা যায়, মোঃ রিয়াজুল ইসলাম এয়ারপোর্ট থানাধীন ফতেগড় এলাকার বাসিন্দা মোঃ নজমুল ইসলাম এর ছেলে।
মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বাংলাদেশ যুবলীগের একজন সক্রিয় নেতা। মোঃ রিয়াজুল ইসলাম এর বাড়ীর লোকজনের সাথে আলাপকালে তাহারা দাবী করেন, মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বিএনপি, জামায়াত-শিবির, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন ও অন্তবর্তী সরকারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন প্রোগ্রামাদি ও সমাবেশ করার কারনেই তাকে প্রাণে হত্যা করার জন্য বেশ কিছুদিন যাবত খোজতেছে। কিন্তু তাকে না পাওয়ায় সন্ত্রাসীরা বাড়ীতে এসে হামলা করে। পরিবারের লোকজন এ ঘটনার সুষ্টু বিচার দাবী করেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, এর আগেও স্থানীয় বাজারে মোঃ রিয়াজুল ইসলাম-এর পারিবারিকভাবে পরিচালিত ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে স্থানীয় বিএনপিও, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন-এর প্রভাবশালী নেতাকর্মীরা অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে হামলা করে এবং মূল্যবান মালামাল লুটপাঠ ও ক্ষতিগ্রস্থ করে। মোঃ রিয়াজুল ইসলাম বাংলাদেশ যুবলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত থাকার কারনেই বিএনপি সহ, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন এর স্থানীয় কতিপয় সন্ত্রাসীরা তাহার বাড়িতে হামলা চালায়।
উক্ত হামলার বিষয়ে এয়ারপোর্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তাহারা হামলার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন নাই তবে কেহ অভিযোগ দায়ের করলে থানা কর্তৃপক্ষ ব্যবস্থা গ্রহন করবে।