বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বাধিন নতুন মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে পারেন বলে সিলেটের যে দুই নেতার নাম সবচেয়ে বেশি আলোচলনায় ছিলো তাদের কেউই মন্ত্রী হতে পারেননি।
তারা হলেন- হবিগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ড. রেজা কিবরিয়া ও বিএনপির পররাষ্ট্র ব্ষিয়ক যুগ্ম মহাচিব হুমায়ুন কবির।
এদের মধ্যে সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এএসএম কিবরিয়ার ছেলে রেজা কিবরিয়া নতুন সরকারের অর্থমন্ত্রী হতে পারেন বলে আলোচনা ছিলো। রেজা কিবরিয়ার নির্বাচনী প্রচারকালেও অনেকে এমনটি প্রচার করেছেন। তবে মঙ্গলবার শপথ নেওয়া নতুন মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়নি এই অর্থনীতিবিদের।
নতুন মন্ত্রিসভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
নতুন মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেতে পারেন বলে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হুমায়ুন কবিরের নামও জোড়েসোড়ে আলোচনায় ছিলো। তবে শেষ পর্যন্ত মন্ত্রিসভায় ঠাঁই হয়নি তারেক রহমানের ঘণিষ্টজন হিসেবে পরিচিত এই নেতার।
সিলেট-২ আসনের মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন হুমায়ুন। পরে এ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পান তাহসীনা রুশদীর লুনা। আর হুমায়ুন কবিরকে দেয়া হয় পররাষ্ট্র বিষয়ক যুগ্ন মহাসচিবের পদ। নতুন মন্ত্রীসভায় যুক্তরাজ্য প্রবাসী এই নেতাও টেকনোক্রেট কোটায় থাকতে পারেন বলে আলোচনা ছিলো। তবে মঙ্গলবার শপথ নেওয়া মন্ত্রিসভায় তিনি ছিলেন না।
তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় টেকনোক্র্যাট মন্ত্রী হিসেবে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সদ্য বিদায়ী অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্ঠার নিরাপত্তা উপদেষ্ঠা ড. খলিলুর রহমান।
তবে এ দুজনের ঠাঁই না হলেও সিলেট থেকে দুজন স্থান পেয়েছেন মন্ত্রিসভায়। তারা হলেন সিলেট-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য খন্দকার আব্দুল মুক্তাদীর ও সিলেট-৪ আসন থেকে নির্বাচিত আরিফুল হক চৌধুরী।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সিলেটে ভূমিধস জয় পায় বিএনপি। বিভাগের ১৯ আসনের ১৮টিতে জিতেছেন বিএনপির প্রার্থীরা। তবে সিলেট থেকে মন্ত্রিসভায় প্রতিনিধি সবচেয়ে কম।