টানা তিনদিনের বৃষ্টিতে ফেঞ্চুগঞ্জে জনজীবন বিপর্যস্ত

sylhetsurma.com
প্রকাশিত অক্টোবর ২২, ২০১৭

Manual6 Ad Code

ফেঞ্চুগঞ্জ প্রতিনিধি: বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে গত বৃহস্পতিবার (১৯ অক্টোবর) থেকে আজ রবিবার (২২ অক্টোবর) সকাল পর্যন্ত সিলেটের ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলায় টানা বৃষ্টি ঝরছে। টানা তিনদিনের বৃষ্টিতে জনজীবন হয়ে পড়েছে বিপর্যস্ত।

Manual1 Ad Code

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় স্থায়ী জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন এলাকার অনেক সড়ক পানিতে থৈ থৈ। অনেক এলাকার রাস্তায় পানি জমে যাওয়ায় মানুষ সীমাহীন কষ্টে পড়েছে। ফলে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উপজেলার জনজীবন। উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে- বৃষ্টিতে উপজেলার অলিগলিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে।

Manual8 Ad Code

ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার অভ্যন্তরীণ এলাকাসহ অন্যান্য এলাকায় বৃহস্পতিবার গভীর রাতের ভারীবর্ষণ ও শুক্র-শনিবারের টানা বৃষ্টিতে নাকাল হয়ে পড়েছেন এলাকাবাসী। জনদুর্ভোগের মাত্রা পৌঁছেছে চরমে। দিনে গণপরিবহন সংকট, এলাকার অধিকাংশ রাস্তাঘাট খানাখন্দে ভরা। অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় ব্যাহত হচ্ছে স্বাভাবিক জনজীবন। বৃষ্টির কারণে গণপরিবহন সংকটে শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী ও অফিসগামী মানুষ সহ সব শ্রেনি-পেশার মানুষকে সমস্যায় পড়তে হয়েছে।

Manual4 Ad Code

আর এ সুযোগে ভাড়া নিয়ে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে রিকশা ও সিএনজিচালিত অটোরিকশাচালকরা। শনিবার ভোর বেলা থেকে প্রায় সারা দিনই ছিল বৃষ্টির আনাগোনা। বাজার ও রাস্তাঘাটের অবস্থা ছিল কদাকার। সরেজমিন দেখা গেছে- টানা বৃষ্টির জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে উপজেলার বেশ কিছু এলাকায়।

Manual2 Ad Code

ফেরিঘাট থেকে ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার হয়ে মাইজগাঁও সড়ক দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে যাতায়াত করছে যানবাহন। ফলে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটেই চলেছে। সর্বশেষ বৃহস্পতিবার রাত দেড়টায় ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার হয়ে মাইজগাঁও সড়কের রাজনপুর জামে মসজিদের সামনে এমনি এক সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হয় মালবাহী একটি ট্রাক। এতে আহত হন চালক বুরহান মিয়া (৩৫)। গেল বন্যায় দীর্ঘদিন পানি জমে থাকায় রাজনপুর জামে মসজিদসংলগ্ন একটি কালভার্ট ভেঙে যাওয়ায় ওই স্থানটি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে।
ফেঞ্চুগঞ্জ বাজার হয়ে মাইজগাঁও সড়কটি যানবাহন চলাচলের সম্পূর্ণ অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় ব্যবসায়ী তাজুল ইসলাম নাহিদ আহমদ জানান- এই সড়ক দিয়ে যাতায়াতকারী রিকশা, অটোরিকশা ও টমটম প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনায় পতিত হচ্ছে। ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলা সদরের সড়কগুলো আর কত ভাঙলে সংস্কার করা হবে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।