• ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি

কুলাউড়ায় মাদ্রাসা ছাত্র রাশেদ আহমদকে গলা কেটে হত্যা,৭ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের

sylhetsurma.com
প্রকাশিত আগস্ট ২১, ২০১৩
কুলাউড়ায় মাদ্রাসা ছাত্র রাশেদ আহমদকে গলা কেটে হত্যা,৭ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের

Manual4 Ad Code

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের কুলাউড়া থানার কাদিপুর ইউনিয়নে হাসিমপুর আহমদিয়া মাদ্রাসার ছাত্র রাশেদ আহমদকে গত ১৯ আগস্ট দিবাগত রাতে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। রাশেদ আহমদ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জামাল হোসেন সার্জনের পুত্র। এ ঘটনায় গতকাল ২০ আগস্ট ৭ জনকে অভিযুক্ত করে কুলাউড়া থানায় ১টি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলা দায়ের করেছেন নিহতের চাচা আলী হোসেন। অভিযুক্তরা হলেন- কুলাউড়া থানার হাসিমপুর গ্রামের আব্দুর নুর চৌধুরী হীরার পুত্র আরিফ মোহাম্মদ চৌধুরী ওরফে তুহিন (১৬), কুলাউড়া থানার হাসিমপুর গ্রামের আব্দুর রহিব চৌধুরীর পুত্র আব্দুর নুর চৌধুরী  হীরা (৫২), কুলাউড়া থানার হাসিমপুর গ্রামের আকমল হোসেন চৌধুরীর পুত্র মোহাম্মদ জামাল আহমদ চৌধুরী (২৫), একই গ্রামের আব্দুর রহিব চৌধুরীর পুত্র ফয়জুর রহমান চৌধুরী (৪৫), আকমল হোসেন চৌধুরীর পুত্র কামাল আহমদ চৌধুরী (২৬), বরমচাল গ্রামের মন্তর মিয়ার পুত্র রেজাউল করিম রাহেল  (১৮), হাসিমপুর গ্রামের পারুল মিয়ার স্ত্রী নিলুফা বেগম।
মামলার অভিযোগসূত্রে জানা যায়, পূর্ব শত্রæতার জের ধরে এ হত্যার ঘটনা ঘটে। মামলার ১ নং আসামী আরিফ মোহাম্মদ চৌধুরী ওরফে তুহিন এবং নিহত রাশেদ আহমদ একই মাদ্রাসার ছাত্র। তুহিন ও নিহত রাশেদ এর মধ্যে প্রায়ই ঝগড়া বিবাদ লেগে থাকতো। এ নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যেও সালিশও হয়। জায়গা জমি নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে বিরোধ রয়েছে। এরই জের ধরে ক্রোধের বশীভভূত হয়ে রাশেদকে পরিকল্পিতভাবে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ব্যাপারে মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন কুলাউড়া থানার অফিসার ইনচার্জ। আসামীদের ধরতে পুলিশ অভিযানে রয়েছে এবং যত দ্রæত সম্ভব আসামীদের ধরে আইনের আওতায় আনতে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলে জানান।