• ২৩শে জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ , ৯ই আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ১৭ই জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিশ্ব ক্যান্সার দিবস পালিত

sylhetsurma.com
প্রকাশিত ফেব্রুয়ারি ৪, ২০২৪
ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে বিশ্ব ক্যান্সার দিবস পালিত

বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে বিশ্ব ক্যান্সার দিবস পালন করেছে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল।  দিবসটি উপলক্ষে রেডিওথেরাপি বিভাগের উদ্যোগে ‘আসুন ক্যান্সার সেবায় বৈষম্য কমিয়ে আনি’ প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ রোববার ৯৪ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টায় এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ ক্যাম্পাস থেকে একটি সচেতনতা মূলক র‌্যালি বের করা হয়।  র‌্যালি উদ্বোধন করেন সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর ডা. শিশির রঞ্জন চক্রবর্তী এবং পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া।  রেডিওথেরাপি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক ডা. এস্তেফছার হোসাইনের সভাপতিত্বে র‌্যালি পরবর্তী সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. শিশির রঞ্জন চক্রবর্তী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া, উপাধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. মুজিবুল হক, উপ-পরিচালক ডা. সৌমিত্র চক্রবর্তী। স্বাগত বক্তব্য দেন রেডিওথেরাপি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান। প্রফেসর ডা. শিশির রঞ্জন চক্রবর্তী বলেন, ক্যান্সার নিরাময়যোগ্য চিকিৎসা, সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় করা গেলে ৩০-৫০ ভাগ ক্যান্সার চিকিৎসায় ভালো হয়ে যায়, তাই ক্যান্সার নিয়ে আতংকিত হওয়ার কারণ নেই। স্বাস্থ্যসম্মত জীবন যাপন করলে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমে আসে।  ডা. শিশির রঞ্জন চক্রবর্তী দূষণমুক্ত পরিবেশ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে গুরুত্ব আরোপকরে বলেন, স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস, ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিত্যাগ, রোগের লক্ষণ দেখা দিলে রোগনির্ণয়ের জন্য ও সময়মত পরীক্ষা ও ভ্যাকসিন গ্রহণ করার উপর জোর দেন। এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক বিগ্রেডিয়ার জেনারেল মাহবুবুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, ক্যান্সারের বিরুদ্ধে সকলকে সোচ্চার হতে হবে, রোগটির বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক নানা ধরনের প্রচার কার্যক্রম চালাতে হবে, তা ছাড়া ক্যান্সার সম্পর্কে খোলাখুলি আলোচনা, সমাজে প্রচলিত কুসংস্কার দূর করতে পারলে ক্যান্সার নিরাময় আরও সহজ হবে।  অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন নিউরোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. বিপ্লব কুমার রায়, অর্থোপেডিক বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. শংকর কুমার রায় ও ফার্মাকোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. সুকান্ত মজুমদার, সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কে জেড আলম ও খালেদ মাহমুদ, শিশু সার্জারি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. তৌহিদুল ইসলাম, শিশু মেডিসিন বিভাগের শিশু মেডিসিন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. আব্দুল হাই, নেফ্রলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. ধ্রুব দাশ, হেমাটোলজি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডা. নাজমুল ইসলামসহ বিভিন্ন বিভাগের চিকিৎসকবৃন্দ।