সুরঞ্জিত সেন হত্যাচেষ্টা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড, আরিফ-বাবর-গৌছসহ ৯ জন খালাস

sylhetsurma.com
প্রকাশিত জুন ২৫, ২০২৬
সুরঞ্জিত সেন হত্যাচেষ্টা মামলায় একজনের মৃত্যুদন্ড, আরিফ-বাবর-গৌছসহ ৯ জন খালাস

Manual2 Ad Code

সাবেক মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলায় একজনকে মৃত্যুদন্ড প্রদান করেছেন আদালত। একইসঙ্গে রায়ে প্রবাসীকল্যান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, হুইপ জিকে গৌছসহ ৯ জনকে খালাস প্রদান করা হয়।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সিলেটের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক স্বপন কুমার সরকার এ রায় প্রদান করেন।

এ তথ্য জানিয়ে দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) আবুল হোসেন বলেন, মামলার রায়ে আজিজ নাঈম নামে একজনকে মৃত্যুদন্ড ও বাকিদের খালাস প্রদান করা হয়েছে।

Manual1 Ad Code

রায়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত আজিজ নাঈমের ভাই সৈয়দ মারুফ আহমদ বলেন, আমার ভাইকে ফাঁসানো হয়েছে। সে এ ঘটনার সাথে জড়িত নয়। আমরা রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করবো।

রায় ঘোষণার পর আদালত চত্বর থেকে কারাগারে নেওয়ার সময় আসামি আজিজ নাঈমকেও ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায়।

তবে রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন খালাস পাওয়া তিন বিএনপি নেতা।

প্রবাসীকল্যান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, রাজনৈতিক হয়রানির জন্য গত ফ্যাসিস্ট সরকার আমাদের এ মামলায় আসামি করে। মামলার এজাহারে আমাদের নাম ছিলো না। পরে সম্পূরক চার্জশিটে তাদের নাম ঢুকানো হয়। আজ রায়ে সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

Manual7 Ad Code

সাবেক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিরুদ্ধে মিথ্যে সাক্ষী না দেওয়ায় আমাকে একের পর এক মামলায় ফাঁসানো হয়। দীর্ঘদিন আমি কারাবন্দি ছিলাম।। আজকে যারা আমাকে হয়রানি ও নির্যান করেছে তারা পালিয়েছে। আর আমরা খালাস পেয়েছি

হুইপ জিকে গৌছ বলেন, এই মামলায় মামলাকে দেশের বিভিন্ন কারাগারে দীর্ঘদিন বন্দি থাকতে হয়। আজকে রায়ের মাধ্যমে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠিত হলো।

Manual3 Ad Code

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলায় অভিযুক্ত ১০ আসামির মধ্যে ৬ জন জেলহাজতে, তিনজন জামিনে এবং একজন পলাতক আছেন।

সকালে জামিনে থাকা প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, হবিগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও সরকারদলীয় হুইপ জি কে গউছ এবং সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর আদালতে হাজির হন।

২০০৪ সালের ২১ জুন সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের নির্বাচনী এলাকা সুনামগঞ্জের দিরাই বাজারে একটি রাজনৈতিক সমাবেশে গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। সেদিন সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য দিচ্ছিলেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। গ্রেনেড বিস্ফোরণে যুবলীগের এক কর্মী ঘটনাস্থলে নিহত ও ২৯ জন আহত হন। হামলায় অল্পের জন্য রক্ষা পান সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত।

ওই ঘটনায় দিরাই থানার এসআই হেলাল উদ্দিন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন। ২০২০ সালের ২২ অক্টোবর লুৎফুজ্জামান বাবর, আরিফুল হক চৌধুরীসহ ১০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচারকার্য শুরু হয়।

Manual6 Ad Code