রাতে বাড়ি ফেরেননি, সকালে জঙ্গলে মিলল বৃদ্ধের লাশ

sylhetsurma.com
প্রকাশিত আগস্ট ১৫, ২০২৬
রাতে বাড়ি ফেরেননি, সকালে জঙ্গলে মিলল বৃদ্ধের লাশ

Manual4 Ad Code

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় বাড়ির পাশের অদূরের একটি জঙ্গল থেকে আব্দুল হক (৬৫) নামের এক ব্যক্তির রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার দাসেরবাজার ইউনিয়নের পূর্ব শংকরপুর গ্রাম থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। স্বজন ও পুলিশের প্রাথমিক ধারণা, দুর্বৃত্তরা তাঁকে হত্যা করে বাড়ির পাশের জঙ্গলে ফেলে রেখে গেছে।

Manual4 Ad Code

নিহত আব্দুল হক পূর্ব শংকরপুর গ্রামের মৃত সোয়াব আলীর ছেলে। তিনি দাসেরবাজার ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তিনি ওই ওয়ার্ড থেকে দুবার প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন। তবে দুবারই তিনি পরাজিত হন।

Manual4 Ad Code

পুলিশ, স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আব্দুল হক স্থানীয়ভাবে একজন সজ্জন ব্যক্তি ও সালিশ ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত ছিলেন। শুক্রবার (১৪ আগস্ট) দুপুরে গ্রামের একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বাড়ি থেকে বের হন আব্দুল হক। এরপর রাতে তিনি আর বাড়িতে ফেরেননি। বাড়িতে না ফেরায় স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি।

Manual8 Ad Code

শনিবার সকালে স্থানীয় লোকজন বাড়ির অদূরের পাশের একটি জঙ্গলে আব্দুল হকের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। পরে তাঁরা বিষয়টি পুলিশকে জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। এ সময় তাঁর ডান কানের লতি কাটা এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন দেখতে পায় পুলিশ।

নিহতের চাচাতো ভাই মাসুক উদ্দিন বলেন, শুক্রবার দুপুরে একটি অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন আব্দুল হক। এরপর রাতে আর বাড়ি ফেরেননি। তাঁদের জানামতে, তাঁর সঙ্গে কারও কোনো শত্রুতা ছিল না। তিনি সহজ-সরল মানুষ ছিলেন। কে বা কারা এবং কী কারণে তাঁকে হত্যা করেছে, তা তদন্ত করে রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি জানান তিনি।

বড়লেখা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান খান বলেন, আব্দুল হকের ডান কানের লতি কাটা এবং মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা তাঁকে হত্যা করে লাশ জঙ্গলে ফেলে রেখে গেছে। মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। ঘটনাটি তদন্ত করে হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের চেষ্টা চলছে।

Manual6 Ad Code