• ৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৩ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

বড়লেখায় বাল্য বিয়েতে ভ্রাম্যমান আদালত : কনের মা ও ইউপি সদস্যকে জরিমানা

sylhetsurma.com
প্রকাশিত অক্টোবর ৪, ২০১৮

Manual4 Ad Code

বড়লেখা প্রতিনিধি : মৌলভীবাজারের বড়লেখায় স্থানীয় সচেতন যুবকদের সহযোগিতায় ও প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বুধবার একটি বাল্যবিয়ে পণ্ড হয়েছে। ইউএনওসহ প্রশাসনের লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে বরপক্ষ কনের বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। স্থানীয় ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্যের সহযোগিতায় বাল্যবিয়েটি হচ্ছিল বলে অভিযোগ উঠেছে। গত ২৮ জুলাই এ ইউনিয়নকে বাল্যবিয়ে মুক্ত ইউনিয়ন ঘোষনা করা হয়। বিকেল সাড়ে পাঁচটায় কনের বাড়িতে অনুষ্ঠিত ভ্রাম্যমান আদালত বাল্যবিবাহ আইন ১৯২৯ এর ৬ ধারায় কনের মাকে ১ হাজার টাকা ও ইউপি সদস্যকে ২০০ টাকা জরিমানা করেছেন।  জানা গেছে, বড়লেখা উপজেলার নিজবাহাদুরপুর ইউনিয়নের গল্লাসাঙ্গন উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী শবনম আফরোজ মাহিন। সে পকুয়া গ্রামের আলাউদ্দিন ও আয়শা বেগম লাভলির কিশোরী মেয়ে। স্কুলের ভর্তি রেকর্ড অনুযায়ী মাহিনের জন্মের তারিখ ৩০ মার্চ ২০০২ ইং এবং বয়স প্রায় ১৪ বছর ৫ মাস। এ বয়সে বাবা-মা পার্শ্ববর্তী বিয়ানীবাজার উপজেলার এক সন্তানের জনক কাংলি গ্রামের মৃত মোমিন আলীর ছেলে আতিকুর রহমান নাঈমের (৩৬) সাথে মাহিনের বিয়ের দিনক্ষণ নির্ধারন করেন ২৪ আগস্ট। এ দিন কনের বাড়িতে বিয়ের প্রস্তুতিকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত হলে বরসহ বরযাত্রীরা পালিয়ে যায়। আত্মগোপন করেন কনের বাবা। পরে ভ্রাম্যমান আদালত বাল্যবিয়ের আয়োজনের অপরাধে কনের মা আয়শা বেগম লাভলি ও ইউপি সদস্য সিরাজ উদ্দিনকে জরিমানা করেন।উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম আবদুল্লাহ্ আল মামুন জানান, যথাসময়ে খবর পাওয়ায় প্রশাসন এ বাল্যবিয়ে বন্ধ করতে পেরেছে। বাল্যবিয়ের অপরাধে কনের মা ও স্থানীয় ইউপি সদস্যকে ভ্রাম্যমান আদালতে জরিমানা করা হয়েছে। ১৮ বছর পুর্ণ না হওয়া পর্যন্ত যাতে এ কিশোরীকে বাবা-মা বিয়ে না দেন সেদিকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।