• ৩১শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৭ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৪ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

সিলেটের রাজু আবিষ্কার করলো “অন্ধের রাস্থা”

sylhetsurma.com
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২২, ২০১৬

Manual1 Ad Code

সিলেট সুরমা ডেস্ক:
“অন্ধের রাস্থা” এটি একটি ইলেক্ট্রনিক্স ডিভাইসের নাম যার মাধ্যমে অন্ধ ব্যক্তিরা যে কোন স্থানে অন্য ব্যক্তির সাহায্য ছাড়া চলাচল করতে পারবে। এতে ব্যাবহার করা হয়েছে সাউন্ড ওয়েভ যার মাধ্যমে কোন বস্তুর অবস্থান সম্পর্কে জানা যায়। এ ডিভাইসটি কোন বস্তুকে নির্ণয় করার সাথে সাথে ব্যক্তিকে বস্তুর অবস্থান সম্পর্কে বলে দেয়। এ জন্য ডিভাইসটিতে একটি হেডফোন লাগানো আছে যার মাধ্যমে বস্তুর অবস্থান সম্পর্কে সিলেটী ভাষায় বলে দেবে এবং কোন দিকে রাস্থা আছে সেটাও বলে দেবে। এ ডিভাইসের মাধ্যমে ব্যক্তির সামনে উচু-নিচু বস্তুর অবস্থান সনাক্ত করা যায়। এ ডিভাইস ব্যক্তিকে এখন দিন না রাত, সেটাও বলে দিতে সক্ষম।
সিলেট মেট্রপলিটন ইউনিভার্সিটির ইলেক্ট্রিক্যাল এন্ড ইলেক্ট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের ছাত্র মোঃ রাজু মিয়া এ ডিভাইসটি তৈরি করেন। অন্ধ ব্যক্তিদের হয়ত চোখের আলো ফিরিয়ে দেওয়া সম্ভব না, তবে যাতে করে অন্ধ ব্যক্তিরা অন্যের সাহায্য ছাড়া চলাচল করতে পারে কেবল সেজন্যেই এটা তৈরি করেন। তাদের কথা মাথায় রেখে তিনি এটা অনেক কম খরচে তৈরি করেছেন। তিনি বলেন, এ ডিভাইসের সাথে রয়েছে একটি স্টিক বা লাটি যার মাধ্যমে ব্যক্তিকে সামনে কোন কিছুর অবস্থান সম্পর্কে বলে দিবে। ডিভাইসটি পোর্টেবল হওয়ার কারনে খুব সহজে ব্যবহার করা যায়। ডিভাইসটির আনুমানিক ৭০সে.মি. পর্যন্ত ধারণ ক্ষমতা রয়েছে।
মো: রাজু মিয়া আরো বলেন, এ ডিভাইসটিতে আরো কিছু তথ্য-প্রযুক্তি যোগ করা হচ্ছে। তবে এটাতে লোকাল ম্যাপ যোগ করার কাজ চলছে, খুব সহজে যে কোন অন্ধব্যক্তি এই ডিভাইসটি ব্যবহার করতে পারবেন। এই ডিভাইসটি তৈরি করে নিজের কাছে খুব ভালো লাগছে যা ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। তিনি ভবিষ্যতে ডায়াবেটিস রোগীদের ঘা শোকানোর বেক থেরাপী মেশিন অল্প মূল্যে নিয়ে বানানোর পরিকল্পনা আছে বলে জানান।

Manual2 Ad Code

মো: রাজু মিয়া কুয়েটে অনুষ্ঠিত টেক ফেস্টা ২০১৬ এর রোবটিক প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। ৪৬টি দলের সাথে প্রতিযোগিতা করে তার তৈরী রোবট (তবহবৎ উরড়ফব) প্রথম স্থান অর্জন করে।

Manual4 Ad Code