নির্বাচনের মাঠে ফাউল খেললে জনগণ আপনাদের লাল কার্ড দেখাবে : মোহাম্মদ নাসিম

প্রকাশিত এপ্রিল ২৩, ২০১৮

Manual3 Ad Code

সিলেট সুরমা ডেস্ক : স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম আজ বিএনপি’র উদ্দেশ্যে বলেছেন, আমরা খালি মাঠে গোল দিতে চাই না। আগামী ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফাইনাল খেলা হবে, সাহস থাকলে মাঠে আসুন।তিনি বলেন, ‘এ নির্বাচন থেকে পালিয়ে যাবেন না। এবারের নির্বাচনের মাঠে ফাউল খেললে জনগণ আপনাদের লাল কার্ড দেখাবে। নির্বাচনের মাধ্যমে প্রমাণ হবে দেশে হয় জঙ্গিবাদ থাকবে, নয়তো মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি থাকবে।’রোববার দুপুরে বগুড়ার শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ৩১ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় রূপান্তর ও ট্রমা সেন্টারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্ত্যবে তিনি এ কথা বলেন।মোহাম্মদ নাসিম বলেন, ‘বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াকে আমরা জেলে পাঠাইনি। আইন ও আদালতের মাধ্যমে তিনি জেলে গেছেন। এক্ষেত্রে সরকারের কোন হাত নেই। তার মুক্তির জন্য হুমকি দিয়ে কোন লাভ নেই। আইন আদালতের মাধ্যমে তাকে মুক্ত হতে হবে।’তিনি বলেন শেখ হাসিনার সরকার যখনই ক্ষমতায় আসে তখন দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হয়। মানুষ শান্তিতে থাকতে পারেন। কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের ন্যায্য মূল্য পায়। সারের জন্য গুলি খেয়ে মরতে হয় না। আওয়ামী লীগ দেশের উন্নয়ন করেছে। বর্তমান সরকারের উন্নয়ন সবার সামনে দৃশ্যমান।’সংসদ সদস্য আলহাজ্ব হাবিবর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বগুড়ার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ নূরে আলম সিদ্দিকী, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব মমতাজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মজিবর রহমান মজনু, জেলা সিভিল সার্জন ডা. শামছুল হক, বগুড়া বিএমএ’র সভাপতি ডাঃ মোস্তফা আলম নান্নু, শেরপুর পৌরসভার মেয়র ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আব্দুস সাত্তার ও সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব আম্বিয়া প্রমুখ।এর আগে, রোববার সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম সিরাজগঞ্জ জেলার কাজীপুরে জমির ক্ষতিপূরণ বাবদ এক কোটি টাকার চেক বিতরণ করেন। কাজীপুর উপজেলার মাইজবাড়ি ইউনিয়নের ছালাভরা এলাকায় নির্মানাধীণ পরিবার কল্যাণ পরিদর্শক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র (এফডব্লিউভিটিআই) নির্মাণ কাজে জমি অধিগ্রহণ করা হয়।ওই জমির ৩০ জন মালিকের মধ্যে ক্ষতিপূরনের চেক বিতরণ করা হয়। প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন করছে স্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর।সূত্র: (বাসস)