৩ মাসে সিলেটের বিভিন্ন সীমান্তে ৫৭ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

sylhetsurma.com
প্রকাশিত আগস্ট ১৬, ২০২৬
৩ মাসে সিলেটের বিভিন্ন সীমান্তে ৫৭ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ

Manual2 Ad Code

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে গত তিন মাসে ৫৭ কোটি টাকার ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ ও ৮ জন আটক করেছে।

Manual8 Ad Code

সিলেট বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৪৮ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নাজমুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

Manual8 Ad Code

রোববার (১৬ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১১টায় ৪৮ বিজিবির সদর দপ্তরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানানো হয়।

Manual7 Ad Code

চোরাচালানের রুট পরিবর্তনের পাশাপাশি সীমান্ত এলাকায় মব রোধ করা এখন বেশি চ্যালেঞ্জিং হয়ে উঠেছে বলে মন্তব্য করে ৪৮ বিজিবি এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নাজমুল হক বলেন, ‘কিছুদিন আগে আমরা অবৈধভাবে পাথর উত্তোলনকারী ট্রাক আটকালে একদল লোক মব সৃষ্টি করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আক্রমণ করে ট্রাক ছিনিয়ে নেয়। তারা সিলেট তামাবিল সড়ক আটকে সমস্যা সৃষ্টি করে। এই মব ঠেকানোটাই একটি বড় কনসার্ন। তারা মব সৃষ্টি করে অবৈধ জিনিসকে বৈধ করতে চায়। এবং তাদের মবের কারণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী আক্রমণের শিকার হওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষও দুর্ভোগে পড়েন।’

৪৮ বিজিবি এর পক্ষ থেকে জানানো হয়, গত তিন মাসে ৫৭ কোটি টাকার বেশি ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ করা হয়। ১০ হাজারের বেশি ভারতীয় মদ, ২২৬০টি গরু মহিষ জব্দ করা হয়। পাশাপাশি ৮ জনকে আটক করা হয়। বিজিবির এই বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে গত শনিবার (১৫ আগস্ট) ও রবিবার (১৬ আগস্ট) দুই দিনব্যাপী সিলেট জেলার কোম্পানীগঞ্জ, গোয়াইনঘাট এবং জৈন্তাপুর উপজেলাধীন সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ অবৈধ ভারতীয় জিরা, চা পাতা, ফুচকা, শাড়ী, কম্বল, মদ এবং বিভিন্ন কসমেটিক্স সামগ্রী জব্দ করতে সক্ষম হয়। শনি ও রবিবারের জব্দকৃত মালামালের আনুমানিক সিজার মূল্য ২ কোটি ৫০ লাখ টাকা। এসসব মালামাল পরিত্যক্ত অবস্থায় পাওয়া যায় তাই অভিযানের সময় কাউকে আটক করতে পারেনি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

Manual2 Ad Code

এ ব্যাপারে সিলেট ব্যাটালিয়ন (৪৮ বিজিবি) এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নাজমুল হক, বিজিওএম জানান, সীমান্তে নিরাপত্তা রক্ষা, চোরাচালান এবং মাদকদ্রব্য পাচার প্রতিরোধে বিজিবির আভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় সীমান্তবর্তী এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমাণ মালামাল জব্দ করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও এ ধরনের গোয়েন্দা তৎপরতা ও আভিযানিক কার্যক্রম সর্বোতভাবে অব্যাহত থাকবে। জব্দকৃত চোরাচালান মালামালসমূহ সরকারি বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।