• ১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৩ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

সেমিফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখল বাংলাদেশ

sylhetsurma.com
প্রকাশিত জুন ২৫, ২০১৯
সেমিফাইনালে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখল বাংলাদেশ

Manual8 Ad Code

সিলেট সুরমা ডেস্ক : সাকিব আল হাসানের ঘূর্ণিতে বিশ্বকাপে তৃতীয় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ। আফগানদের বিপক্ষে ৬২ রানে জিতে সেমিফাইনাল খেলার আশাও বাঁচিয়ে রাখল মাশরাফি মুর্তজার দল।

সোমবার ইংল্যান্ডের সাউদাম্পটনের রোজ বোল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক গুলবাদিন নায়েব। মুশফিকুর রহিমের ৮৩ রানের দায়িত্বশীল ইনিংসে ভর করে ২৬২ রানের সংগ্রহ পায় বাংলাদেশ। ২৬৩ রানের লক্ষ্যে খেলতে নেমে ২০০ রানে থামে আফগান ইনিংস। ৬২ রানের জয় পায় বাংলাদেশ। সাকিব আল হাসান পাঁচ উইকেট নিয়ে একাই ধসিয়ে দেন আফগানিস্তানের টপ অর্ডার।

Manual7 Ad Code

জবাবে খেলতে নেমে শুরুটা ভালোই করেন দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান গুলবাদিন নায়েব ও রহমত শাহ। ৪৯ রানের মাথায় প্রথম আঘাত হানেন সাকিব আল হাসান। ব্যক্তিগত ২৪ রানে তামিম ইকবালের হাতে ক্যাচ দেন রহমত শাহ। হাসমতউল্লাহ শাহিদিকে নিয়ে লড়াইয়ের আভাস দিচ্ছিলেন গুলবাদিন নায়েব। দলীয় ৭৯ রানের মাথায় হাসমতউল্লাহ শাহিদিকে ফিরিয়ে আফগানদের উপর চাপ সৃষ্টি করেন মোসাদ্দেক হোসেন। ২৯তম ওভারে সাকিবের ঘূর্ণিপাকে গুলবাদিন নায়েব ও মোহাম্মদ নবী সাজঘরে ফিরলে ম্যাচ থেকে ছিটকে পড়ে আফগানিস্তান। কিন্তু সাকিবের উইকেট ক্ষুধা তখন মেটেনি। ১১৭ রানের মাথায় আসগর আফগানকে ফিরিয়ে নিজের চতুর্থ উইকেট তুলে নেন সাকিব। আফগানদের শেষ উইকেট তুলে নেন সাইফুদ্দিন।

সপ্তম উইকেট জুটিতে সামিউল্লাহ সিনওয়ারি ও নাজিবুল্লাহ জাদরান প্রতিরোধ গড়তে চাইলেও তা দীর্ঘ হয়নি। নাজিবুল্লাহ জাদরানকে স্ট্যামপিংয়ের ফাঁদে ফেলে ৫৬ রানের জুটি ভাঙেন সাকিব আল হাসান। সেই সাথে তুলে নেন নিজের পঞ্চম উইকেট। আফগানিস্তানের সংগ্রহ তখন ১৮৮/৭। শেষ দিকে দুই উইকেট তুলে নিয়ে আফগান ব্যাটিং লাইনের শেষ পালকও উপড়ে ফেলেন মুস্তাফিজুর রহমান।

Manual2 Ad Code

প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ২৩ রানে বাংলাদেশের প্রথম উইকেটের পতন হয়। মুজিব উর রহমানের বলে হাসমতউল্লাহ শাহিদির হাতে ক্যাচ দেন ব্যাটসম্যান লিটন দাস। এরপর তামিম ইকবালের সঙ্গে যোগ দেন সাকিব আল হাসান। দুজনে মিলে খেলেন ৫৯ রানের জুটি। এই জুটিতে ভর করে বড় স্কোরের স্বপ্ন দেখতে থাকে বাংলাদেশ। সেই স্বপ্নে ব্যাঘাত ঘটান মোহাম্মদ নবী। ৩৬ রান করা সেট ব্যাটসম্যান তামিম ইকবালকে ফেরান তিনি। দলীয় ৮২ রানের মাথায় বাংলাদেশের দ্বিতীয় উইকেটের পতন হয়।

Manual6 Ad Code

এরপর মুশফিক-সাকিবের ৬১ রানের জুটি আফগানদের আরেক দফা মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এ যাত্রায় আফগানদের রক্ষা করেন মুজিব উর রহমান। সাকিব আল হাসানকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলে তুলে নেন নিজের দ্বিতীয় উইকেট। আউট হওয়ার আগে ৬৯ বল থেকে ৫১ রান করে এই আসরে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের স্থান পুনর্দখল করেন সাকিব। দলীয় স্কোরে ৩ রান যোগ করে সৌম্য সরকার সাজঘরে ফিরলে দলীয় ১৫১ রানে চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে বাংলাদেশ। সৌম্যকে ফিরিয়ে তৃতীয় শিকারের দেখা পান মুজিব। এ চাপও কেটে যায় মুশফিক-মাহমুদউল্লাহর ৫৬ রানের জুটিতে। দলীয় ২০৭ রানে বাংলাদেশের পঞ্চম উইকেটের পতন হয়। গুলবাদিন নায়েবের বলে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। মুশফিক-মোসাদ্দেকের দ্রুতগতির ৪৪ রানের জুটিতে লড়াইয়ের পুঁজি পেয়ে যায় টাইগাররা। মুশফিক আউট হন ব্যক্তিগত ৮৩ রানে। মুজিব উর রহমান তিনটি এবং মোহাম্মদ নবী, দওলত জাদরান ও গুলবাদিন নায়েব একটি করে উইকেট পেয়েছেন।

Manual2 Ad Code