• ৩০শে মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৬ই জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৩ই জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

১৯ বছর পর দেশে ফিরছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি সিলেটের এমএ মালিক

sylhetsurma.com
প্রকাশিত অক্টোবর ১১, ২০২৪
১৯ বছর পর দেশে ফিরছেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি সিলেটের এমএ মালিক

Manual7 Ad Code

দীর্ঘ ১৯ বছর পর দেশে ফিরবেন যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি ও চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এম এ মালিক।  আগামী ১৩ অক্টোবর দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছাবেন তিনি। বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানাবেন বিএনপি নেতারা।  বিমানবন্দর থেকে তিনি সরাসরি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের মাজারে যাবেন। সেখানে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে নয়াপল্টন কার্যালয়ে যাবেন।

 

Manual7 Ad Code

দীর্ঘদিন পর দেশের ফেরার প্রতিক্রিয়ায় এম এ মালিক বলেন, আমি খুব ইমোশনাল হয়ে পড়েছি। আমার মায়ের শেষ ইচ্ছা ছিল; দেশের মাটিতে যেন তাকে কবর দেওয়া হয়। কিন্তু শেখ হাসিনা সরকারের বাধায় আমার মায়ের মরদেহ দেশে নিতে পারিনি। এমনকি আমার বাবা ও ছোট ভাইয়ের মরদেহও দেশে নিয়ে কবর দিতে পারি নাই।

 

শেখ হাসিনা সরকার আমার পাসপোর্ট আটকে রেখেছিল। ৫ই আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের ফলে দীর্ঘ ১৮ বছর পর আমি পাসপোর্ট ফিরে পেয়েছি। এখন দেশে ফিরলে আত্মীয়স্বজন, বন্ধু-বান্ধব ও রাজনৈতিক নেতাসহ সবার সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ হবে- এটা ভেবে আমি খুবই এক্সাইটেড।

 

Manual4 Ad Code

এমএ মালিকের সফরসঙ্গী হিসেবে দেশে ফিরবেন ছাত্রদলের ইউরোপ শাখার সাবেক সভাপতি প্রভাষক খলিলুর রহমান খোকন। তিনি জানিয়েছেন, ১১ অক্টোবর যুক্তরাজ্যে থেকে রওনা দেবেন এমএ মালিক। ১২ অক্টোবর সৌদি আরবে পৌঁছে পবিত্র ওমরাহ হজ পালন করবেন।

Manual7 Ad Code

 

সেখান থেকে ১৩ অক্টোবর দুপুরের পর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছাবেন। এরপর ঢাকায় চারদিন অবস্থান করে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন। ১৭ অক্টোবর তিনি নিজের জন্মস্থান সিলেটে যাবেন। সেখানে দুই সপ্তাহ থাকবেন।

 

সর্বশেষ ২০০৫ সালে দেশে এসেছিলেন সিলেটের দক্ষিণ সুরমার বাসিন্দা বিএনপি নেতা এমএ মালিক। এরপর আওয়ামী লীগ সরকারের রোষানলে পড়ে দেশে ফিরতে পারেননি তিনি। ওয়ান-ইলেভেনের পর থেকেই যুক্তরাজ্যে ধারাবাহিকভাবে আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী নানা কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দিয়ে আলোচনায় ছিলেন সাবেক কেন্দ্রীয় এই যুবদল নেতা।

Manual2 Ad Code

 

২০২৩ সালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘে সফরকালে ওয়াশিংটনে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন তিনি। সেসময় কর্মসূচি প্রত্যাহার করার জন্য এমএ মালিককে আলোচনায় বসতে চায়ের দাওয়াত দেন শেখ হাসিনা। তা প্রত্যাখ্যান করে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্তি দিয়ে বিদেশে চিকিৎসার অনুমতির পাশাপাশি বাংলাদেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেয়ার প্রস্তাব দেন তিনি।