• ১লা মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ১৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ১৪ই জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি

চলে গেলেন সবার প্রিয় বিশ্বজিত সেনগুপ্ত

sylhetsurma.com
প্রকাশিত জানুয়ারি ৩১, ২০২৫
চলে গেলেন সবার প্রিয় বিশ্বজিত সেনগুপ্ত

Manual3 Ad Code

জুড়ীবাসীকে কাঁদিয়ে অকালেই চলে গেলেন জুড়ীর প্রিয় মূখ, শিলুয়া চা বাগানের ষ্টাফ (টিলাবাবু) বিশ্বজিত সেনগুপ্ত (৬৫)। বুধবার (২৯ জানুয়ারি) বেলা সাড়ে ১০টার দিকে ঢাকার গ্রীন লাইফ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। জুড়ী ভ্যালী, জুড়ী উপজেলা ও শিলুয়া এলাকায় ব্যাপক জনপ্রিয় এই ক্ষণজন্মার মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

 

Manual5 Ad Code

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়,জুড়ী উপজেলার পূর্ব শিলুয়া এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজিত সেনগুপ্ত খাদ্যনালীর সমস্যা নিয়ে সিলেটের একটি হাসপাতালে চিকিৎসা নেন। সেখানে তাঁর খাদ্যনালীতে টিউমার ধরা পড়ে।‌ পরীক্ষা নিরীক্ষায় টিউমারে ক্যান্সারের উপস্থিতি পাওয়ায় পারিবারিক সিদ্ধান্তে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার গ্রীন রোডস্থ গ্রীন লাইফ হাসপাতালে ভর্তি হন।‌ সেখানে ডাক্তারের পরামর্শে টিউমারটি অপসারণের জন্য খাদ্যনালীতে অপারেশন করা হয়। ‌ অপারেশনের পর শারীরিক অবস্থার অবনতির
কারণে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হলে বুধবার (২৯ জানুয়ারি) সকালে তিনি শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন। ঐ দিনই গভীর রাতে ঢাকা থেকে তাঁর লাশ দীর্ঘ ৪১ বছরের প্রিয় কর্মস্থল শিলুয়া চা বাগানে নিয়ে আসা হয়।

Manual5 Ad Code

 

Manual6 Ad Code

পরদিন বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে তাঁর লাশ ফ্রিজিং ভ্যান থেকে বের করে বাসার ভেতরে নেয়া হলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়। স্ত্রী সন্তানদের আহাজারিতে আকাশ‌ বাতাস ভারী হয়ে ওঠে। দীর্ঘদিনের সহকর্মী, আত্মীয়-স্বজন, চা শ্রমিক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা তাঁকে একনজর দেখতে বাসায় ভীড় করেন।‌ উপস্থিত সবার মুখে প্রায় একই কথা ” বড় ভাল লোক ছিলেন তিনি, তাঁর এভাবে চলে যাওয়া মেনে নিতে পারছি না “।

Manual6 Ad Code

চাকুরির পাশাপাশি এলাকার বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডে সরব ছিলেন বিশ্বজিত সেনগুপ্ত। এলাকার মানুষের যে কোন প্রয়োজনে তিনি ছিলেন সর্বাগ্রে। ‌ তাঁর এমন প্রস্থান যেন কেউ মেনে নিতে পারছেন না।‌ পরে বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) বাসায়‌ ধর্মীয় রীতিনীতি শেষ করে বেলা ১১টার দিকে পূর্ব শিলুয়া এলাকায় পারিবারিক শ্মশানঘাটে তাঁর অন্ত্যোষ্টিক্রিয়া সম্পন্ন হয়। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে রেখে যান।