• ১০ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ , ২৭শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ , ২৪শে জিলহজ, ১৪৪৭ হিজরি

আইনগতভাবে বিচ্ছেদের আগে বিয়ে: খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তামিমা

sylhetsurma.com
প্রকাশিত জুন ১০, ২০২৬
আইনগতভাবে বিচ্ছেদের আগে বিয়ে: খালাস পেলেন ক্রিকেটার নাসির ও তামিমা

Manual3 Ad Code

আইনগতভাবে বিচ্ছেদের আগে নতুন করে বিয়ে করার অভিযোগে দায়ের করা মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মি।

Manual7 Ad Code

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এই রায় ঘোষণা করেন।

গত ৬ মে বাদী ও আসামি পক্ষের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত রায় ঘোষণার এ তারিখ ধার্য করেন। ওইদিন শুনানিতে তাদের সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে প্রার্থনা করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ইসরাত হাসান। তবে তাদের নির্দোষ দাবি করে খালাসের প্রার্থনা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু।

মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০১১ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও রাকিবের বিয়ে হয়। তাদের আট বছরের একটি মেয়েও রয়েছে। তাম্মি পেশায় একজন কেবিন ক্রু। ওই বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি তাম্মি ও ক্রিকেটার নাসির হোসেনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। পরে পত্র-পত্রিকায় তিনি ঘটনার বিষয়ে সম্পূর্ণ জানেন। রাকিবের সাথে বৈবাহিক সম্পর্ক চলমান অবস্থাতেই তাম্মি নাসিরকে বিয়ে করেছেন; যা ধর্মীয় এবং রাষ্ট্রীয় আইন অনুযায়ী সম্পূর্ণ অবৈধ। তাম্মিকে প্রলুব্ধ করে নিজের কাছে নিয়ে গেছেন নাসির। তাম্মি ও নাসিরের এমন অনৈতিক ও অবৈধ সম্পর্কের কারণে রাকিব ও তার আট বছর বয়সী কন্যা মারাত্মভাবে মানসিক বিপর্যস্ত হয়েছেন। আসামিদের এমন কার্যকলাপে রাকিবের চরমভাবে মানহানি হয়েছে, যা তার জন্য অপূরণীয় ক্ষতি।

Manual3 Ad Code

দণ্ডবিধির ৪৯৭,৫০০ এবং ৩৪ ধারায় মামলাটির আবেদন করা হয়েছিলো। মামলায় আগের বিয়ে গোপন থাকা অবস্থায় অন্যত্র বিয়ে, অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যভিচার ও মানহানির অভিযোগ আনা হয়েছে।

Manual1 Ad Code

২০২১ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর আদালতে পিবিআই’র পুলিশ পরিদর্শক (নি.) শেখ মো. মিজানুর রহমান তিনজনকে দোষী উল্লেখ করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেন। পরের বছরে ২৪ জানুয়ারি আদালত নাসির-তামিমার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন। তবে এ মামলার অপর আসামি তামিমার মা সুমি আক্তারকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। মামলাটিতে ১০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করেন আদালত।

Manual1 Ad Code