২০২৯ সালে ব্যবহার উপযোগী হবে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক

sylhetsurma.com
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ১০, ২০২৬
২০২৯ সালে ব্যবহার উপযোগী হবে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক

Manual5 Ad Code

জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় গতি পাচ্ছে না জমি সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক ছয় লেনে উন্নীতের কাজ। এখনও ঢিমেতালে চলছে এ সড়কের কাজ। এতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের।

তবে এমন অবস্থায় আশাবাদ শুনিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদে তিনি জানান, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ২০২৯ সালের মাঝামাঝির মধ্যে জনগণের ব্যবহার উপযোগী হবে।

মন্ত্রী বলেন, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের একটি জরাজীর্ণতা আছে। গত সাড়ে চার বছরে প্রকল্পটির মাত্র ১৮ শতাংশ জমি অধিগ্রহণ হয়েছিল। গত ছয় মাসে তা ৬৫ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে। ইউটিলিটি ও সার্ভিস শিফটিংয়ের কাজ একেবারেই ছিল না, সেটিও সম্পন্ন করা হয়েছে।

Manual7 Ad Code

তিনি বলেন, প্রকল্পটির ভৌত কাজের অগ্রগতি ছিল মাত্র ১৩ শতাংশ। গত ছয় মাসে তা ৩৮ শতাংশ ছাড়িয়েছে।

আগামী দুই মাসের মধ্যে জমি অধিগ্রহণের কাজ শেষ হয়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন শেখ রবিউল আলম। এরপর ২০২৯ সালের মাঝামাঝির মধ্যে সড়কটি জনগণের ব্যবহার উপযোগী হবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।

জাতীয় গুরুত্ব বিবেচনায় সিলেট থেকে প্রথম সাত কিলোমিটার সংস্কার করে চলাচলের উপযোগী করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী।

Manual6 Ad Code

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের প্রশস্ততা সম্প্রসারণ করতে প্রায় ১ হাজার ৩৩ একর জমি অধিগ্রহণ করা দরকার। তবে এখনও বেশিরভাগ জমি অধিগ্রহণ হয়নি।

Manual6 Ad Code

ছয় লেনের এই মহাসড়ক নির্মাণে জমি অধিগ্রহণ ও মূল সড়ক নির্মাণকে দুটি পৃথক প্রকল্প হিসেবে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। জমি অধিগ্রহণ প্রকল্পের মেয়াদ শুরুতে ছিল ২০১৮ থেকে ২০২৩ সাল। পরে তা সংশোধন করে ২০২৫ সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়। সর্বশেষ মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়িয়ে ২০২৭ সাল করা হয়েছে। জমি অধিগ্রহণ বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছিল ৭ হাজার ৯৭৫ কোটি ৩১ লাখ টাকা। এর পুরোটাই সরকারের তরফ থেকে ব্যয় করা হচ্ছে।

Manual4 Ad Code

অন্যদিকে মহাসড়ক নির্মাণসংক্রান্ত প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ২০২১ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত। প্রকল্পের ছয় প্যাকেজ ও ১৩ লটের সব কটিতেই ঠিকাদার নিয়োগ হয়েছে। কিন্তু জমি অধিগ্রহণে বিলম্বের কারণে মূল সড়ক নির্মাণকাজ পিছিয়ে গেছে।

সরকার ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) যৌথ অর্থায়নে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছে প্রায় ১৬ হাজার ৯১৮ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারের অংশ ৩ হাজার ৬৭৩ কোটি এবং এডিবির ঋণ ১৩ হাজার ২৪৪ কোটি টাকা।

মূল প্রকল্প প্রস্তাবে ৬৬টি সেতু, ৩০৫টি কালভার্ট, ৮টি ওভারপাস, ২৬টি ফুটওভারব্রিজ, ৩৭টি ইউটার্ন ও ৮টি রাউন্ড অ্যাবাউট (গোলচত্বর) নির্মাণ করা হবে। মহাসড়কের মূল চার লেনের প্রস্থ হবে ৭ দশমিক ৩ মিটার এবং সার্ভিস লেনের প্রস্থ হবে সাড়ে ৫ মিটার।