সিলেটে জামায়াত নেতাকে মারধর : যুবলীগের মুন্না গ্রে ফ তা র

sylhetsurma.com
প্রকাশিত মার্চ ৬, ২০২৫
সিলেটে জামায়াত নেতাকে মারধর : যুবলীগের মুন্না গ্রে ফ তা র

Manual1 Ad Code

গত ৪ আগস্ট সিলেটের বিশ্বনাথে জামায়াত নেতা আমজাদ আলীর উপর হামলা এবং তার ব্যবহৃত মোটর সাইকেল ভাংচুর ও পুড়ানোর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় (মামলা নং ১২, তাং ২১.০৮.২৪ইং) বিশ্বনাথ ইউনিয়ন যুবলীগের সাবেক আহবায়ক মনোহর হোসেন মুন্নাকে গ্রে্রপ্তার করেছে থানা পুলিশ।

 

বুধবার (৫ মার্চ) বিকেলে পৌর শহরের পুরাণ বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃত মুন্না উপজেলার বিশ্বনাথ ইউনিয়নের রজকপুর গ্রামের আব্দুর রহিমের পুত্র।

Manual6 Ad Code

 

Manual3 Ad Code

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পূর্বের দিন (৪ আগস্ট) বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি প্রতিহত করতে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ—সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ দেশীয় অস্ত্র—সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পৌর শহরে অবস্থান নেন। এসময় তারা বাসিয়া ব্রীজের ওপর জামায়াত নেতা ও আল—হেরা শপিং সিটির ব্যবসায়ী আমজাদ আলীর ওপর হামলা চালিয়ে তাকে (আমজাদ) রক্তাক্ত জখম করে। এরপর আমজাদ আলীর ব্যবহৃত মোটর সাইকেল ভাংচুর করে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে ফেলেন। জামায়াত নেতা আমজাদ আলীকে ধাওয়া করে আল—হেরা শপিং সিটিও ভাংচুর করেন আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ—সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। যে কারণে ওই ঘটনার পর দিন (৫ আগস্ট) আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর থেকে মুন্না’সহ আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ আত্মগোপনে চলে যান। আর ৪ আগস্টের ঘটনায় যুবলীগ নেতা মনোহর হোসেন মুন্নার সম্পৃক্ততা পেয়ে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তাকে গ্রেপ্তার করেছে।

Manual2 Ad Code

 

যুবলীগ নেতা মনোহর হোসেন মুন্নাকে গ্রেপ্তারের সত্যতা স্বীকার করে বিশ্বনাথ থানার অফিসার ইন—চার্জ (ওসি) এনামুল হক চৌধুরী বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুন্নাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে প্রেরণ করা হবে।

Manual1 Ad Code