যুক্তরাজ্য প্রবাসী নাদিয়া সুলতানার সাথে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে দূর্বৃত্তের হামলায় আহত তার মা রুমানা খানম

sylhetsurma.com
প্রকাশিত মে ২৫, ২০২৬
যুক্তরাজ্য প্রবাসী নাদিয়া সুলতানার সাথে পূর্ব  শত্রুতার জের  ধরে দূর্বৃত্তের হামলায় আহত তার  মা রুমানা খানম

Manual4 Ad Code

নিজস্ব প্রতিবেদক :::
সিলেট সিটি কর্পোরেশন এর কোতোয়ালী থানাধীন চৌহাট্টা এলাকায় গত ২৪ মে সন্ধ্যা ০৭.৩০ ঘটিকার সময় মেয়ের সাথে শত্রুতার জেরে মা রুমানা খানমের উপর দুর্বৃত্তদের অতর্কীত হামলা। পুলিশ ও জখমির সঙ্গে কথা বলে জানা যায় চৌহাট্টা এলাকার নিলয় ৫৪/১ এর বাসিন্দা রুমানা খানমের মেয়ে নাদিয়া সুলতান সিলেটে সুনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্টান মদন মোহন কলেজে এর একজন নিয়মিত ছাত্রী ছিলেন। মদন মোহন কলেজে থাকাকালীন নারী অধিকার বাস্তাবায়নে বিভিন্ন সামাজিক সংঘটনে কাজ করার পাশাপাশি বাংলাদেশ জাতীয়তা বাদী ছাত্র দলের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়েন। রাজনীতিতে জড়িত হওয়ায় প্রতিপক্ষ দলের ছাত্র নেতার নাদিয়ার উপর চরম আক্রোশান্বিত হয়ে ওঠে। তাহারা নাদিয়া সুলতানাকে একাধিকবার হত্যার পরিকল্পনা করেন। নাদিয়া সুলতানা একপর্যায়ে বিগত ০৪/১০/২০২২ ইং তারিখে যুক্তরাজ্যে চলে যান। যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পর নাদিয়ার মাতা রুমানা খানমকে সন্ত্রাসীরা ক্রমাগত হুমকী সহ হত্যার পরিকল্পনা করেন। আওয়ামীলীগ সরকারের পতনের পর আওয়ামীলীগের ছাত্র নেতারা ছাত্রদলের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে দেশব্যাপী চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কার্যক্রম অব্যাহত রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিগত ২৪/০৫/২০২৬ ইং তারিখ সন্ধ্যা ০৭.৩০ ঘটিকার সময় চৌহাট্টা এলাকায় ঔষধ ক্রয়ের জন্য সেন্ট্রাল ফার্মেসির সামনে পৌছা মাত্র ৫/৭ জন দৃর্বৃত্ত একত্রিত হয়ে হয়ে রুমানা খানমের উপর দেশীয় অস্ত্র দা, চাকু ও লাটি দিয়া অতর্কীত হামলা করিয়া বাম হাতে, বাম পায়ে, মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে মারাত্মক কাটা রক্তাক্ত জখম করে। স্থানীয় ব্যবসায়ীরা আগাইয়া আসায় দৃর্বত্তৃ রা দৌড়াইয়া পালিয়ে যায়। এ সময় স্থানীয় দোকানদার ও পথচারিদের সহায়তায় রুমানা খানমেকে উদ্ধার পূবর্ক সিএনজি গাড়িতে করে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করানো হয়। এই বিষয়ে কোতোয়ালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) কে জিজ্ঞাসাবাদ করা হইলে তিনি জানান বিষয়টি নিয়ে তদন্ত চলছে। ঘটনার সাথে জড়িত সন্ত্রাসীদের সনাক্ত করা গেলে তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় নিয়ে এসে বিচার নিশ্চিত করা হবে।