স্টাফ রিপোর্টার:
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার অভিযোগে অভিযুক্ত দক্ষিণ সুরমা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম ও মোঃ নাজমুল হুদা তারেককে দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপি।
গতকাল রবিবার (৫ জুলাই) নগরীর বন্দরবাজার পয়েন্টে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. সাহাব উদ্দিন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উল্লেখিত আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে পলাতক থাকায় পুলিশ তাদের গ্রেফতার করতে পারছে না। তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে ইন্টারপোলের সহযোগিতায় গ্রেফতার করে দেশে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানানো হয়।
অভিযুক্তরা হলেন- মোগলাবাজার থানার সিলাম ইউনিয়নের সরকারচক গ্রামের আব্দুস সালাম এর ছেলে আরিফুল ইসলাম এবং লালাবাজার ইউনিয়নের লালারগাঁও গ্রামের আব্দুল গণীর ছেলে মোঃ নাজমুল হুদা তারেক। মানববন্ধনে বিএনপি ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের শতাধিক নেতাকর্মী অংশ নেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন- সিলেট জেলা বিএনপির সাবেক সহ-কোষাধ্যক্ষ এডভোকেট আহমদ রেজা, সাবেক সহ-দফতর সম্পাদক আব্দুল মালেক ও দিদার ইবনে তাহের লস্কর, সাবেক সহ-প্রচার সম্পাদক বুরহান উদ্দিন, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক এডভোকেট মুমিনুল ইসলাম, সদস্য সচিব মকসুদ আহমদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি আলতাফ হোসেন সুমন, মহানগর ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ফজলে রাব্বী আহসান, সহ-সাধারণ সম্পাদক তাহমিদ খান শিমুল, জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আলী আহমদ আলম, দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুল লতিফ খান, সাধারণ সম্পাদক কুহিনুর আহমদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান ফয়েজ, উপজেলা ছাত্রদল সভাপতি মো. মিজানুর রহমান, রায়হান আহমদ ও সাবেক ছাত্রদল নেতা শিপু আহমদ প্রমুখ।
আদালত সূত্রে জানা যায়, আসামি মোঃ আরিফুল ইসলামের বিরুদ্ধে ২টি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
১ম মামলাটি কোতোয়ালী মডেল থানার মামলা নং- ৩৪/২০৩, তারিখ- ২৫/০৪/২০২৫ ইং, জি.আর. নং- ২০৩/২০২৫ ইং। ধারা- ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩/৪ ধারা (সংশোধিত-২০০২) সহ দণ্ডবিধির ১৪৩/১১৪/৩২৪/৩২৫/৩০৭/৩৪/১৪৯ ধারা। মামলাটি বর্তমানে বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।
২য় মামলাটি দক্ষিণ সুরমা থানার মামলা নং- ০৯, তারিখ- ১১/০৯/২০২৪ ইং, জি.আর. নং- ১৫৪/২০২৪ ইং। ধারা- দণ্ডবিধির ১৪৩/১৪৭/১৪৮/১৪৯/৪৪৭/৪৪৮/৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩০৭/১১৪/৪২৭/৩৭৯/৩৮০/৪৩৬/৫০৬ ধারা সহ ১৯০৮ সালের বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের ৩/৪ ধারা। মামলাটি বর্তমানে বিজ্ঞ আদালতে বিচারাধীন শেষ পর্যায়ে (আরগুমেন্টে) রয়েছে।
উভয় মামলায় বিজ্ঞ আদালত আসামির বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।