এই মেয়েকে বিয়ে করলে পাওয়া যাবে ১২০০ কোটি টাকা, কিন্তু কেউ করছেনা কেন? 

sylhetsurma.com
প্রকাশিত নভেম্বর ২৬, ২০১৮

Manual2 Ad Code

সিলেট সুরমা ডেস্ক : সেলেব্রেটি ম্যারেজের ক্ষেত্রে বিয়েতে টাকার প্রসঙ্গ উঠে আসে ঠিকই কিন্তু তা সাধারণত খরচের প্রসঙ্গে। নইলে বিয়েতে টাকা নিয়ে নয়ছয়ের খবরও আমরা কম বেশি পাই, কখনও বা পণের দাবিতে কখনও বা টাকা নিয়ে মিথ্যে প্রতারণা। সেসব না হয় হলো! কিন্তু এমনটা কখনও শুনেছেন কি বিয়েতে যেচে দেওয়া হচ্ছে ১২,০০০ কোটি টাকা, তাও আবার পাত্রী পক্ষের তরফ থেকে। আর আরও আশ্চর্যের ব্যাপার হচ্ছে তাতেও সেই মেয়েকে কেউ বিয়ে করতে রাজি হচ্ছেনা। খবরটি একেবারেই মিথ্যে নয়।

Manual8 Ad Code

ঠিক এমনটাই হয়েছে হংকং এর এক শিল্পপতি ব্যবসায়ী তেনজিং চেইনের কন্যা সিজিয়া চেইনের ক্ষেত্রে। মেয়ের বিয়েতে প্রবল অমত, শুধু তাই নয় পুরুষদের সাথেও মেলামেশা করতে অনিচ্ছুক কন্যার বিয়ে দেওয়াতে এক অভিনব পন্থা অবলম্বন করেছিলেন বাবা তেনজিং চেইন। ঘোষণা করেছিলেন মোটা টাকার পুরষ্কার। ১২০০ কোটি টাকা তিনি দিতে রাজি ছিলেন যদি কোনো পুরুষ তার কন্যাকে বিয়ের জন্য রাজি করাতে পারেন।

যেমন কথা তেমন কাজ। এমন ঘোষণার পর থেকেই একের পর এক প্রস্তাব আসতে শুরু করে কন্যা সিজিয়ার কাছে। কিন্তু সেসবের তোয়াক্কা না করে, নিজের সিদ্ধান্তে গ্যাঁট ধরেই বসে থাকেন তিনি। ফিরিয়ে দেন প্রায় ৫০,০০০ প্রস্তাবকে। বাধ্য হয়েই বাবা এবার কিছুটা শান্ত হন এবং ঠিক করেন যে মেয়ে হয়তো মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে। অন্যদিকে মেয়ের এরকম অবস্থা দেখে বিমুর্ষ হয়ে পরেন বাবা প্রথম দিকে। তারপর মেয়ের চিকিৎসা করাতে, ডাক্তার বলেন যে তার মেয়ে সিজিয়া সমকামী। পরে অবশ্য মেয়ের এই সমকামীতা মেনে নেন তিনি। বিয়ে করতে রাজি না হওয়ায় আর জোর করেনি তিনি মেয়েকে।

পরবর্তীকালে এমন লিঙ্গ বৈষম্যতা কাটিয়ে উঠে, নিজেই একটি ছেলেকে বিয়ে করেন সিজিয়া ২০০৯ সালে। বাবার কাছে সমস্ত কথা পরে খুলে বললে জানা যায় যে তার প্রাক্তন প্রেমিকের কাছে প্রতারিত হওয়ার পর, একেবারেই ভেঙে পরেছিলেন তিনি। তাই খানিক ডিপ্রেশানের জেরেই ঠিক করেছিলেন পুরুষদের প্রতি আর নয়, মেয়ে জীবনসঙ্গিকে নিয়েই বাকি জীবনটা কাটাবে। আর সেইমতই স্বেচ্ছায় সমকামীতাকে বেছে নিয়েছিলেন।

Manual2 Ad Code

তবে, সেসব এখন অতীত বর্তমানে বেশ ভালোমতই সুখে ঘর করছে সিজিয়া। শোনা যায় তার নাকি এখন একটি পুত্র সন্তানও রয়েছে।

Manual5 Ad Code