Warning: trim() expects parameter 1 to be string, array given in /home/sylhetsu/public_html/wp-includes/meta.php on line 1

Warning: trim() expects parameter 1 to be string, array given in /home/sylhetsu/public_html/wp-includes/pomo/streams.php on line 1

Warning: trim() expects parameter 1 to be string, array given in /home/sylhetsu/public_html/wp-includes/cache.php on line 1

Warning: trim() expects parameter 1 to be string, array given in /home/sylhetsu/public_html/wp-includes/user.php on line 1

Warning: trim() expects parameter 1 to be string, array given in /home/sylhetsu/public_html/wp-includes/widgets.php on line 1

Warning: trim() expects parameter 1 to be string, array given in /home/sylhetsu/public_html/wp-includes/rest-api/endpoints/class-wp-rest-menus-controller.php on line 1
৩০ বছরে ৫০০ কোটি মানুষ দৃষ্টিক্ষীণতার শিকার হবে: সমীক্ষা – Daily Sylhet Surma
  • ৫ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ , ২২শে মাঘ, ১৪২৯ বঙ্গাব্দ , ১৩ই রজব, ১৪৪৪ হিজরি

৩০ বছরে ৫০০ কোটি মানুষ দৃষ্টিক্ষীণতার শিকার হবে: সমীক্ষা

sylhetsurma.com
প্রকাশিত সেপ্টেম্বর ২, ২০১৬

সিলেট সুরমা ডেস্ক : বিশ্বের অর্ধেক জনগোষ্ঠী অর্থাৎ প্রায় ৫০০ কোটি মানুষ আগামী ৩০ বছরের মধ্যে দৃষ্টিক্ষীণতার শিকার হবেন । ফলে এদের মধ্যে এক পঞ্চমাংশের অন্ধ হওয়ার আশংকা উল্লেখযোগ্য ভাবে বাড়বে। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় এ ভয়াবহ তথ্য ওঠে এসেছে। অস্ট্রেলিয়ার সিডনি ভিত্তিক ব্রায়েন হোল্ডেন ভিশন ইন্সটিটিউট এ সমীক্ষা চালিয়েছে। গবেষকরা বলছেন, দৃষ্টিক্ষীণতা বলতে দূরের জিনিস ভাল ভাবে দেখতে কষ্ট হওয়াকে বোঝানো হয় এবং এটি বিশ্বে স্থায়ী অন্ধত্বের কারণ হয়ে দেখা দেবে। গবেষকরা হুশিয়ারি উচ্চারণ করে আরো বলেছেন, ২০০০ সালের তুলনায় ২০৫০ সালে ক্ষীণদৃষ্টি জনিত অন্ধত্বের হার সাত গুণ বাড়বে। বর্তমান বিশ্বে ক্ষীণদৃষ্টির অন্তত ২০০ কোটি মানুষ ভুগছেন। এ সংখ্যা দ্রুত বাড়ছে বলে জানিয়েছে ব্রায়েন হোল্ডেন ভিশন ইন্সটিটিউট।
জীবন-যাপনের পরিবর্তনকে এটি বাড়ার কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন গবেষকরা। তারা বলছেন, বাইরে প্রাকৃতিক আলোয় সময় কাটানোর বদলে বেশির ভাগ সময় ঘরে বই পড়ে বা কম্পিউটারসহ অন্যান্য পর্দার দিকে তাকিয়ে সময় ব্যয় করছে শিশু। এ জাতীয় অভ্যাস দৃষ্টিক্ষীণতার অন্যতম কারণ হয়ে উঠছে। শিশুর নিয়মিত চোখ পরীক্ষা করার পাশাপাশি তাদেরকে নিয়মিত বাইরে খেলাধুলা করতে পাঠানোর জন্য মা-বাবা কিংবা অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন গবেষকরা। এ ছাড়া, শিশুর কম্পিউটারসহ সব পর্দার ব্যবহারও সীমিত করে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।